ঘূর্ণিঝড় এখন নিম্নচাপ, সপ্তমী পর্যন্ত বৃষ্টির আশঙ্কা: আবহাওয়া দফতর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তছনছ হয়ে গেছে ওড়িশার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় তিতলির দাপটে মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কয়েকশো কোটি টাকা। ওড়িশার পার্শ্ববর্তী রাজ্য
শেষ আপডেট: 12 October 2018 08:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তছনছ হয়ে গেছে ওড়িশার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় তিতলির দাপটে মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কয়েকশো কোটি টাকা। ওড়িশার পার্শ্ববর্তী রাজ্য হিসেবে বাংলা সেই লণ্ডভণ্ড থেকে রক্ষা পেলেও, আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে তিতলির জেরেই আগামী শনিবার পর্যন্ত কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় হবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।
কলকাতা, হাওড়া, দুই চব্বিশ পরগণা, দুই মেদিনীপুর-সহ দক্ষিণবঙ্গের মোট দশটি জেলায় শনিবার পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি। ফলে উৎসবের শুরুতেই নাকাল হতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলার মানুষদের। এ দিকে ইন্ডিয়া মেটিওরলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি) তাদের ওয়েব সাইটে আগামী সাত দিনের আবহাওয়ার যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে শহরবাসীর চিন্তা বাড়ারই কথা। আইএমডি জানিয়েছে সপ্তমী অর্থাৎ ১৬ অক্টবর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। অষ্টমীর আগে আকাশে শরতের মেঘের দেখা পাওয়া মুশকিল বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি।
[caption id="attachment_42284" align="aligncenter" width="791"]

আইএমডি-এর পূর্বাভাস[/caption]
বৃহস্পতিবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর ‘তিতলি’-র আশঙ্কায় বাংলার ৯টি জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার দুপুরে হাওয়া অফিসের এক অধিকর্তা জানান, শনিবার পর্যন্ত এই সতর্কতা জারি থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার বৃষ্টিতে ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বড় অংশে তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। যোগাযোগ ব্যাবস্থাও বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন অংশে। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে রেল পরিষেবাতেও।
ঘূর্ণিঝড় আপাতত নিম্নচাপের আকার নিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর ফলে।