আলুতে দেদার এলামাটি মেশানোর অভিযোগ, মানছেন জামালপুরের ব্যবসায়ীরা, শাস্তির হুঁশিয়ারি প্রশাসনের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জামালপুর সহ পূর্ব বর্ধমানের বেশ কয়েকটি হিমঘরের বিরুদ্ধে আলুতে এলামাটি মেশানোর অভিযোগ উঠল। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই নাকি তাঁরা একাজ করছেন বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
হিমঘর থেকে মজুত আলু বের করার পরে তা হিমঘরের চাতা
শেষ আপডেট: 4 June 2020 11:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জামালপুর সহ পূর্ব বর্ধমানের বেশ কয়েকটি হিমঘরের বিরুদ্ধে আলুতে এলামাটি মেশানোর অভিযোগ উঠল। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই নাকি তাঁরা একাজ করছেন বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
হিমঘর থেকে মজুত আলু বের করার পরে তা হিমঘরের চাতালে বাছাই করা হয়। জামালপুরের বিভিন্ন হিমঘরে বাছাই করার সময়ে চাতালে ঢালা আলুতে এলামাটি অর্থাৎ এক ধরণের হলুদ রঙ মাখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাতে আলুর রঙ বেশ ‘ভাল’ হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আলুতে এই রঙ বা এলামাটি না মেশালে তা বিক্রি করা মুশকিল হচ্ছে, বিশেষ করে কলকাতার কলকাতার বাজারে। ব্যবসায়ীদের একাংশ বলছেন, এলামাটি মেশানো আলুর নাকি কলকাতার বাজারে চাহিদা বেশি। একধাপ এগিয়ে আলু ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার আলুতে রঙ করা বন্ধ করার আগে মিষ্টি ও অন্য খাবারে রঙ মোশানো বন্ধ করুক।

লকডাউনের মধ্যে হিমঘরগুলিতে নতুন করে রমরমিয়ে শুরু হয়েছে এলামাটির কারবার। গত বছর রাজ্যের কৃষি বিপণন দফতর আলুতে রঙ মেশানো নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। তখনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে হিমঘরগুলিকে স্পষ্ট ভাবে বলে দেওয়া হয়েছিল কোনও ভাবেই আলুতে এলামাটি মেশানো বা ব্যবহার করা যাবে না। তারপর থেকে মোটামুটি সব হিমঘরেই এলামাটির ব্যবহার বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু এবছর সুযোগ পেয়েই আলুতে দেদার রঙ মেশানো শুরু করে দিয়েছে অসাধু আলু ব্যবসায়ীরা। তা মেশানো হচ্ছে হিমঘর থেকে আলু বের করার সঙ্গে সঙ্গেই।

এ বিষয়ে জামালপুরের কৃষি আধিকারিক সঞ্জিবুল ইসলাম বলেন, “আলুতে রঙ মেশানো পুরোপুরি বন্ধ বলে সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা আছে। যদি কোথাও এই ঘটনা ঘটে তাহলে প্রশাসন উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।” পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডুও সেকথাই বলেছেন।