অঙ্গনওয়াড়ির খিচুড়িতে বিষক্রিয়া! বীরভূমে অসুস্থ শিশু ও গর্ভবতী মহিলারা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বেশ কিছু গর্ভবতী মহিলা ও শিশু। শনিবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের মহম্মদবাজারের মালডিহা গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খিচুড়িতে বিষক্রিয়ার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা গিয়েছে, মাল
শেষ আপডেট: 4 January 2020 08:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বেশ কিছু গর্ভবতী মহিলা ও শিশু। শনিবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের মহম্মদবাজারের মালডিহা গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খিচুড়িতে বিষক্রিয়ার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা গিয়েছে, মালডিহা গ্রামের ৬৪ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। এই অঙ্গনওয়াড়িতে ৪৫ জন পড়ুয়া ও ১২ জন গর্ভবতী মহিলা নথিভুক্ত। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এদিন রান্না করা খিচুড়ির মধ্যে টিকটিকি পড়ে গিয়েছিল। সেই খিচুড়ি দেওয়া হয় খেতে। আর তা খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনজন গর্ভবতী মহিলা ও প্রায় ২০ জন শিশু।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এদিন খিচুড়ি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরে অনেকে দেখতে পান খিচুড়ির মধ্যে টিকটিকির শরীরের অংশ রয়েছে। ততক্ষণে প্রায় সবাই খিচুড়ি নিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সেই খাবার খেয়েও নেয়। কিছুক্ষণ পরেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। খিচুড়ি খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় বমি ও মাথাব্যথা।

সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় সেই অঙ্গনওয়াড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ অনেক আধিকারিক। অসুস্থ হওয়া শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে পটেলনগর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে।
মল্লিকা দাস নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, "আমি আমার ছেলের জন্য খিচুড়ি নিয়ে এসেছিলাম। ছেলেকে খাওয়াতে খাওয়াতে টিকটিকির শরীরের অংশ দেখতে পাই। সঙ্গে সঙ্গে অঙ্গনওয়াড়িতে গিয়ে ব্যাপারটা জানাই। ইতিমধ্যেই আমার ছেলে বমি করতে শুরু করে।" এই ঘটনার পরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী পূর্ণিমা বাগদি ও সহায়িকা করুণা বাগদি বলেন, "আমরা যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবেই রান্না করি। কিন্তু আজ কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল সেটা বুঝতে পারছি না। সবার দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকব।"
এই ঘটনার পর মহম্মদবাজার ব্লকের বিডিও আশিস মণ্ডল বলেন, "আধিকারিকদের বিষয়টি দেখার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অসুস্থদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসন সকলের পাশে আছে।"