Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

টাকার অভাব, ডাক পেয়েও বিদেশের ম্যারাথন হয়তো স্বপ্নই থেকে যাবে বর্ধমানের রঞ্জনের কাছে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিদিন সকালে যাঁরা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহনবাগান মাঠে যান, তাঁরা সকলেই ‘ম্যাঙ্গো’ নামটার সঙ্গে পরিচিত। নামের সঙ্গে পরিচিত না হলে দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে প্রতিদিন রোগা শ্যামলা ছেলেটাকে মাঠে আপনি দেখবেন নিজের মনে প্র্যাকটিস

টাকার অভাব, ডাক পেয়েও বিদেশের ম্যারাথন হয়তো স্বপ্নই থেকে যাবে বর্ধমানের রঞ্জনের কাছে

শেষ আপডেট: 6 March 2020 13:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিদিন সকালে যাঁরা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহনবাগান মাঠে যান, তাঁরা সকলেই ‘ম্যাঙ্গো’ নামটার সঙ্গে পরিচিত। নামের সঙ্গে পরিচিত না হলে দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে প্রতিদিন রোগা শ্যামলা ছেলেটাকে মাঠে আপনি দেখবেন নিজের মনে প্র্যাকটিস করতে। সেই ছেলে আপনগতিতে ছুটে চলে। সে এখন রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ম্যারাথন জয় করেছে। এখন তার সামনে হাতছানি বিদেশ যাওয়ার কিন্তু বাপ-মা হারাছেলের কাছে বড় বাধা টাকা। অর্থের অভাবে খেলা চালিয়ে যাওয়াই অসম্ভব হয়ে পড়ছে ম্যাঙ্গো অর্থাৎ রঞ্জনের কাছে। বর্ধমানের ফাগুপুরের বাসিন্দা রঞ্জন বাগ। খেলার মাঠে তাঁকে সবাই চেনেন ম্যাঙ্গো নামে। বছর চল্লিশ বয়স। জগদাবাদ হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছেন। তারপর বাবা মারা যাওয়ার জন্য পড়াশোনা চালানো সম্ভব হয়নি। তারপরে তাঁর মাও মারা যান। ছোট থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ। ছিপছিপে চেহারা নিয়ে বিদ্যুৎগতির দৌড়ে পিছনে ফেলে দিতেন সকলকে। নানা বাধা বিপত্তি কোনও দিনই মাঠ থেকে সরাতে পারেনি ম্যাঙ্গোকে। শত সমস্যার মধ্যেও তিনি মাঠে পড়ে থেকেছেন। মাঠও তাঁকে ফেরায়নি। ২০১৩ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত একটানা মুম্বই ম্যারাথনে যোগ দিয়েছেন। পরে ২০১৭ সালে ভালো ফল করেন তিনি। ২০১৩ সালে অবশ্য আন্তর্জাতিক ম্যারাথনে তিনি ত্রয়োদশ স্থান পান। আন্দামান সহ দেশের নানা জায়গায় ম্যারাথন ও ট্র্যাক ইভেন্টে যোগ দিয়ে তিনি ছিনিয়ে নিয়েছেন একাধিক পদক। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইম্ফলে অনুষ্ঠিত ৪১ ন্যাশনাল মাস্টার অ্যাথলেটিক মিটে দশ হাজার মিটার দৌড়ে তিনি তৃতীয় স্থান পান। সেই টুর্নামেন্টে তিনি বাংলা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ইতিমধ্যে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁর কাছে বিদেশে ম্যারাথনে নামার সুযোগ এসেছে। কোথায় যাবেন তা এখনও ঠিক না হলেও এখন থেকেই মনমরা ম্যাঙ্গো। খেলা যেখানেই হোক না কেন, তাঁর কাছে বিদেশ যাওয়ার সামর্থ্য নেই। মোহনবাগান মাঠে প্র্যাকটিসের মাঝে তিনি জানান, “সেখানেই অংশ নিতে যাই বিশেষ কয়েকজন তাঁকে আর্থিক সাহায্য করেন।” ইম্ফলে অনুষ্ঠিত ৪১তম ন্যাশনাল মাস্টার অ্যাথলেটিক মিটে যাওয়ার জন্য সাঁকো হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব চক্রবর্তী তাঁকে সাহায্য করেছিলেন। বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা দিয়ে সাহায্য করেন শামসুদ্দিন,  অন্য বেশ কয়েক জন বন্ধুও তাঁকে সাহায্য করেন। কিন্তু এভাবে ক’দিন? একটা চাকরি না পেলেই নয়। বিদেশে যাওয়ার বিপুল খরচ জোগানোর জন্য ফের কার কাছে হাত পাতবেন তিনি ভেবে পাচ্ছেন না ম্যাঙ্গো। তিনি বলেন, “খেলা ভালবেসে কোনও কাজ করা হয়নি। ভাই স্বপন বাগের কাছেই থাকি। আশা ছেড়ে দিয়েছি বিদেশে যাওয়ার। এখন খেলা চালিয়ে যাওয়াই আমার লক্ষ্য।”

```