
শেষ আপডেট: 19 January 2019 13:23
ব্রিগেডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মোদী বিরোধী মুখ হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতারা। ছিলেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খার্গেও। এমনকী বাজপেয়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা ও এখনও বিজেপিতে থাকা বিহারী বাবু শত্রুঘ্ন সিনহাও মোদীকে আক্রমণ করেন। নোটবন্দি, জিএসটি, রাফায়েল প্রভৃতি একাধিক ইস্যুতে মুখ খোলেন তাঁরা।
বিরোধী নেতাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, এই সব নেতারা নিজেদের রাজ্যেই প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছেন। রাজ্যের বাইরে এঁদের কেউ চেনেন না। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী শুধুমাত্র দেশ নয়, দেশের বাইরেও সমান জনপ্রিয়। তাই এইসব বাতিল নেতাদের নিয়ে এসে কোনও লাভ নেই। হিন্দি, ইংরেজি, তামিলে কথা বলে বাংলার মানুষের মন জয় করা যাবে না বলেও জানান দিলীপ বাবু।
তিনি প্রশ্ন তোলেন ব্রিগেডের খরচের খতিয়ান নিয়েও। তিন দিন ধরে এত লোকের দু'বেলার খাবার, মঞ্চ, মাইক, বাস সব নিয়ে ১০০ কোটি খরচ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, এত টাকা কোথা থেকে এল, তার জবাব দিন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপি সভাপতি বলেন, "যাঁরা আগে একটা বিড়ি দু'বার খেত, তাঁরাই এখন সিগারেট খাচ্ছে।" বিভিন্ন রাজ্যের লোকদের নিয়ে এসে ব্রিগেডের নামে 'পলিটিক্যাল ট্যুরিজম' শুরু হয়েছে বলে উপহাস করেন দিলীপ বাবু।
দাদরা ও নগর হাভেলির সিলভাসা থেকে মোদীও এ দিন নিজের বক্তব্যে বলেন, বাংলার মাটি থেকে শুধুই 'বাঁচাও বাঁচাও' আওয়াজ শুনতে পাচ্ছেন তিনি। দেশের চৌকিদার হয়ে লুঠপাটে বাধা দেওয়ার ফলেই তাঁর বিরোধিতায় একজোট হয়েছে সবাই। কিন্তু এ ভাবে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। দেশের উন্নতির জন্য তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন।