শেষ আপডেট: 7 June 2020 06:25
সংবর্ধনা মঞ্চে সৌমিত্র আরও বলেন, "তৃণমূলে থাকার সময়ে আমি বলেছিলাম, সিন্ডিকেট রাজ, তোলা শিল্পে বন্ধ করতে হবে। তখন আমায় বলা হয়, তৃণমূল করলে এটাই করতে হবে। আমি প্রতিবাদ করেছিলাম বলে আমারও উপর এত মামলা।" প্রসঙ্গত, মামলার জন্য হাইকোর্টের নির্দেশে লোকসভা ভোটে প্রচারে যেতে পারেননি সৌমিত্র। গোটা প্রচার সামলেছিলেন তাঁর স্ত্রী।
স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি সাংসদের এই বক্তৃতার পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। বারাসতের তৃণমূল নেতা সলীল মুখোপাধ্যায় বলেন, "ওঁর উশৃঙ্খল আচরণের জন্যই ওঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এখন বিজেপিতে গিয়ে একই কাজ করছে।" তিনি আরও বলেন, "পুলিশের উচিত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা।" যদিও বারাসত জেলা পুলিশের সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, "কোনও রাজনৈতিক নেতার বক্তৃতার প্রতিক্রিয়া আমি দেব না।"
সংবর্ধনা মঞ্চে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানান বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি। পাল্টা তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, "চারিদিকে করোনার জন্য ওঁকে কিছু বলা হয়নি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে কিছু করতে আসুন না! মানুষ যা বোঝানোর বুঝিয়ে দেবে।"
এরপরই গাইঘাটা যান সৌমিত্র। অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান অপর্ণা মণ্ডল-সহ তিন জনকে মিথ্যে মামলায় আটক করে পুলিশ। দুই সাংসদ এবং জনা ৫০ বিজেপি কর্মী অবস্থান শুরু করেন গাইঘাটা থানার সামনে। এরপর গভীর রাতে অপর্ণাকে ছাড়লেও আটক করে রাখা হয় দু'জনকে। অবস্থান তুলে বিজেপি নেতাদের হুঁশিয়ারি, "এর শেষ দেখে ছাড়ব।"