দ্য ওয়াল ব্যুরো: পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে একটি কুকুর, শরীর রক্তাক্ত। বীরভূমের সিউড়িতে সেচ দফতরের অফিস চত্বরের মধ্যে এমন দৃশ্য দেখে অনেকেই চমকে যান। পথের কুকুরটির পায়ের বাঁধন খুলে তাঁরা দেখেন যে সেটি জীবিত রয়েছে। তার শরীরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারার চিহ্ন রয়েছে। সেখান থেকেই রক্তপাত হয়েছে। রক্তক্ষরণে কুকুরটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
কুকুরটিকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন সিউড়ির পশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পথের কুকুরটির চিকিৎসা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন ওঠে কে বা কারা এই অমানবিক ঘটনা ঘটাল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নরেশ দাস নামে সিউড়ির সেচ দফতরের এক কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। ওই ব্যক্তির পোষা একটি ছাগলকে কামড়েছিল কুকুরটি। তাতেই কুকুরটির উপরে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সেই রাগ থেকে কুকুরটিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপান। একথা জানিয়েছেন নরেশ দাসের স্ত্রী। পা বাঁধা অবস্থায় কুকুরটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
নরেশ দাস অবশ্য কোপানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তিনি ওই কুকুরটিকে শুধু ঢিল মেরেছেন বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।