
শেষ আপডেট: 27 July 2020 07:29
এখনও শতাধিক ঘর ভাঙনের কবলে। অসহায় মানুষগুলি দিনরাত জেগে বসে রয়েছেন ভাগীরথীর পাড়ে। প্রত্যেক বছরই বর্ষা আসতেই কৃষি জমি ভাসিয়ে নিয়ে যায় ভাগীরথীর জল। গ্রাস করে বাড়িঘরও। তবে এ বছর ভাগীরথীর জলের স্তর আরও বেড়ে যাওয়ায়, তীব্রতাও বেড়ে গিয়েছে ভাঙনেরও। গত তিন-চার দিনের ভাঙনের ফলে প্রায় ২০ বিঘা চাষের জমি ভাগীরথীর গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। বর্তমানে বেশ কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি এবং চলাচলের রাস্তাও ভাঙনের কবলে।
রীতিমতো আশঙ্কায় দিন গুনছেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ঘরের কাছেই পাড় ভাঙছে ভাগীরথী। দিনের বেলা যেমন তেমন। নদীর ধারে বসে ভাঙনের দিকে লক্ষ রাখছেন মানুষ। কিন্তু রাত বাড়লেই ঘিরে ধরছে আতঙ্ক। চোখ লেগে এলেই যদি গ্রাস করে নদী। ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে এখন স্থায়ীভাবে ভাগীরথী নদীর পাড় বাঁধাই করে দেওয়ার দাবি উঠেছে এলাকায়। যদিও শান্তিপুর পুরসভার প্রশাসক অজয় দে বলেন, ‘‘ওই এলাকার ভাঙন নিয়ে ইতিমধ্যেই সেচ দফতরকে জানানো হয়েছে। সেচ দফতরের পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই মেরামতির কাজ শুরু করা হবে।’’
যদিও তাতে আস্থা রাখতে পারছেন না এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রুপালি বিশ্বাস বলেন, ‘‘গত কয়েকদিনে আমাদের চাষের জমি তলিয়ে গেছে। এখন শুধুমাত্র ভিটেবাড়িটুকু রয়েছে। তাও যে কোনও মুহূর্তে তলিয়ে যেতে পারে। সবকিছু হারিয়েছে আমরা এখন ঘরটুকুও হারানোর অপেক্ষায়। সাংসদ থেকে বিধায়ক সকলেই দেখে গেছেন। কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি।’’