
শেষ আপডেট: 2 June 2020 11:31
বাড়ির ভিতরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা গিরি।[/caption]
ঝড়বৃষ্টির ফলে ভেঙে পড়েছে কাঁচা বাড়ি। বাড়ির মধ্যে থাকা আসবাবপত্র পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পুরো পরিবারের দিন কাটছে মুরগির ঘরে। পরিস্থিতির চাপে পড়াশোনা এখন পুরোপুরি বন্ধ। এমনিতেই তারা দিন আনা দিন খাওয়া শ্রমিক পরিবার। এখন মাথার উপরে চালটুকুও গেছে। সরকারি সাহায্য বলতে পঞ্চায়েত থেকে একটা ত্রিপল পাওয়া গেছে। তাঁদের অভিযোগ, ঘর সারিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে পঞ্চায়েত থেকে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
[caption id="attachment_226206" align="aligncenter" width="1280"]
অনেক বাড়িরই এখন এই অবস্থা।[/caption]
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা গিরির কথায়, “পড়াশোনা করার ইচ্ছে তো আমার রয়েছে কিন্তু ঝড়বৃষ্টির ফলে বই-খাতা সব নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে সেসব কেনার সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা সরকার কোনও সাহায্য না করলে আমার পক্ষে নতুন করে পড়াশোনা শুরু করা মুশকিল।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ সীমন্ত মালি বলেন, “নামখানা ব্লকে উমফানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক বাড়ি ভেঙে পড়েছে। অনেক ছাত্রছাত্রীর বইখাতা নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি ভাবে আমাদের সমীক্ষা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বলেছেন সেভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করা হবে। যে সব বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে গেছে সেগুলি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পঞ্চায়েতের মাধ্যমেই তা করা হবে। প্রাথমিক ভাবে প্রত্যেককে একটা করে ত্রিপল দেওয়া হয়েছে।”