দার্জিলিংয়ে জীবাণুমুক্ত করে চিড়িয়াখানায় ঢোকানো হচ্ছে পশুদের খাবারের গাড়ি, রেড পান্ডার খাবার আসছে সিঙ্গালিলা উদ্যান থেকে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের মধ্যে কড়া সুরক্ষায় রাখা হয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানার প্রাণীদের। তাদের খাওয়াদাওয়া থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা – সব দিকে কড়া নজর রেখেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে তুষার চিতার (হিমালয়ান স্নো লেপ
শেষ আপডেট: 18 May 2020 10:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের মধ্যে কড়া সুরক্ষায় রাখা হয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানার প্রাণীদের। তাদের খাওয়াদাওয়া থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা – সব দিকে কড়া নজর রেখেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে তুষার চিতার (হিমালয়ান স্নো লেপার্ড) জন্য যে ঠিকাদারের থেকে মাংস নেওয়া হত তার থেকেই মাংস নেওয়া হচ্ছে। তবে সেই গাড়ি চিড়িয়াখানায় ঢোকার আগে উপযুক্ত ভাবে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। রেডপান্ডার জন্য বাঁশপাতা আনা হচ্ছে সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যান থেকে। দেশজুড়ে লকডাউনের ফলে যবে থেকে চিড়িয়াখানা বন্ধ করা হয়েছে তবে থেকেই এই বন্দোবস্ত চলছে। চিড়িয়াখানার ২ জন পশু চিকিৎসক রয়েছেন। তাঁরা নিয়মিত ভাবে পশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। বাইরে থেকে কোনও ভাবেই কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। যে পশুর খাবার যে ব্যক্তি দিয়ে থাকেন তাঁকে ছাড়া ওই খাঁচার কাছে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সাফাইকর্মীরা নিয়মিত ভাবে পশুশালা পরিষ্কার রাখছেন।

দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নায়ড়ু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক তৈরি হয় ১৯৫৮ সালে। এখানে হিমালয়ের বহু বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর প্রজননেন ব্যবস্থা রয়েছে। এই সব প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে স্নো-লেপার্ড, রেড পান্ডা, তিব্বতি নেকড়ে, ব্লু-শিপ, হিমালয়ান টার, স্যাটার ট্র্যাগোপান বা ক্রিমসন হর্নড ফেজান্ট (দেওৈদারিক) প্রভৃতি এই চিড়িয়াখানার প্রধান আকর্ষণ।
ভারতে এক মাত্র এই চিড়িয়াখানায় রয়েছে রেড পান্ডা। তারা যাতে বিলুপ্ত না হয়ে যায় সেজন্য এখানে প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে বর্তমানে ২১টি রেড পান্ডা রয়েছে।