দ্য ওয়াল ব্যুরো: মদ খেয়ে গালাগালি করার প্রতিবাদ করায় হাওড়ার বাগনানে এক প্রৌঢ়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাল দুষ্কৃতীরা। বাবাকে বাঁচাতে এসে প্রহৃত হন তাঁর ছেলেও। অভিযোগ উঠেছে যে লকডাউনের মধ্যে জমায়েত হওয়া ও মদ্যপান করা বাগনানে কোনও নতুন ঘটনা নয়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে যখন সারা দেশে লকডাউন চলছে তখন এর মধ্যেই বাগনান থানার দুর্গাদহ গ্রামে জমায়েত হয়ে মদ খেয়ে গালিগালাজ করছিল একজল যুবক। এই ঘটনারই প্রতিবাদ করেন প্রৌঢ় লক্ষ্মী প্রধান। তখন তাঁকে ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে মদ্যপরা। তাঁর ছেলে বাপন প্রধান তাঁকে বাঁচালে এলে তাঁকেও বেধড়ক মারধর করে দুষ্কৃতীরা। বাপন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ উঠেছে বাগনান থানা এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে লকডাউন ভেঙে জমায়েত চলছে। বিশেষত রাতের দিকে গ্রামের ভিতরে ক্লাব ও মাঠে চলছে মদের আড্ডা। এলাকার লোকের অভিযোগ শুধু মদের আসর বসানোই নয় বাইক বাহিনীর দাপাদাপিও চলছে।
রবিবার রাতেও ল্ক্ষ্মী প্রধানের বাড়ির বাইরে জনা পাঁচেক লোক মদের আসর বসিয়েছিল। তারা গালিগালাজও করছিল। সেই সময় বাপন এসে তাদের ওই এলাকা থেকে চলে যেতে বললে তা নিয়ে বচসা শুরু হয়। চিৎকার শুনে লক্ষ্মী প্রধান বেরিয়ে এলে তাঁর সঙ্গেও বচসা শুরু হয়। আচমকাই ওই যুবকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্মী প্রধানকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। বাবাকে বাঁচাতে এলে বাপনকে বেধড়ক মারধর করে ওই মদ্যপরা।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে মদ্যপরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে বাগনান হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা হয়।
আজ সোমবার সকালে বাগনান থানায় এব্যাপারে এফআইআর দায়ের হয়েছে বাগনান থানায় তবে পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।