শেষ আপডেট: 15 January 2020 14:50
অবস্থা সামাল দিতে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। যান উচ্চপদস্থ কর্তারাও। জনতার ক্ষোভ তুমুল আকার নেওয়ায় অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খান তাঁরা। পুলিশের গাড়িতে ধরে যাওয়া আগুন নেভাতে খবর দেওয়া হয় দমকলে।
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কেঁপে ওঠে গঙ্গার ওপারে চুঁচুড়াও। সেখানেও একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি ভেঙে পড়ে পুরসভা ভবনের কাচও। বিকট আওয়াজে সবকিছু ভেঙে পড়তে দেখে আতঙ্কে পথে নেমে পড়েন বাসিন্দারা। বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর। তিনি জানান, যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
অন্যদিকে ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকে ৮ জানুয়ারি সাধারণ ধর্মঘট চলাকালীন মালদহ জেলার সুজাপুরে বেশ কিছু গাড়িতে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ এই ঘটনায় ধর্মঘটকারীদের বিরুদ্ধে আঙুল তুললেও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়া একটা ভিডিওতে দেখা যায় পুলিশকর্মীরাই গাড়ির কাঁচ ভাঙছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয় তদন্তের দায়িত্ব। ভিডিওর সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া বলেন, বিচারবিভাগীয় তদন্ত হবে।
সেই ঘটনায় তিনজন কনস্টেবল ও দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ারের যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত তিন কনস্টেবলকে সাসপেন্ড ও দুই সিভিক ভলান্টিয়ারকে ছাঁটাই করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এখনও সিআইডি তদন্ত চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।