
শেষ আপডেট: 13 February 2021 11:20
* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা ইঞ্জিনের মোকাবিলা করতে গিয়ে ৫০০ ইঞ্জিন নামাতে হচ্ছে। ডবল ইঞ্জিন সরকার কীভাবে বানাবে।
* কেন দিল্লি আর বাংলায় এক সরকার চায়? চোর চুরি করলে যাতে ধরা না পড়ে সেই জন্য। গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানায় যেমন কোনও চোর ধরা পড়ে না। এদের তো দুকান কাটা।
* এখন বলছে তৃণমূলে কাজ করতে গিয়ে দমবন্ধ হয়ে আসছে। তাই বিজেপির আইসিইউতে ভর্তি হচ্ছে। দম তো মানুষ বন্ধ করবে আগামী দিনে। চলবে না অন্যায়, টিকবে না ফন্দি, জনতার আদালতে হতে হবে বন্দি। যারা বাংলা মানুষের ভালবাসা, আবেগ, অহঙ্কার নিয়ে নয়-ছয় করছে, দিল্লির বুকে বিক্রি করছে, তাদের বাংলার মানুষ জবাব দেবে।
* দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আমরা ৩১-শে ৩১ করব। এই মাঠে প্রায় ১ লাখের বেশি মানুষ আছে। এই মানুষগুলো যদি আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন দেখবেন মিরজাফর অ্যান্ড কোম্পানির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে। আপনাদের এই দায়িত্ব নিতে হবে।
* তৃণমূল ২৫০-এর বেশি আসন পেয়ে তৃতীয় বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করবে।
* মালদায় স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে এসেছে ৩০০ টাকা করে দিয়ে। তাতেও লোক ভরছে না। তৃণমূল কংগ্রেস কিয়া কোয়ি হোর্ডিং, ব্যানার, পোস্টার হ্যায়, মমতা ব্যানার্জি জনতা কে দিল মে রহতে হ্যায়। অমিত শাহজি ওঁয়াহা সে ক্যায়সে উখার ফেকোগে।
* আগামী ৫০ বছর বাংলায় তৃণমূলের সরকার থাকবে। আজ বলে যাচ্ছি।
* অমিত শাহ আপনি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাও আমার নাম নিতে এত ভয় কেন? আচ্ছা হ্যায়। ইয়ে ডর হামকো আচ্ছা লাগা। আমি নাম নিয়ে বলছি, অমিত শাহ বহিরাগত, দিলীপ ঘোষ গুণ্ডা, নাড্ডা বহিরাগত, রাজনাথ সিং বহিরাগত। আমার নাম নিয়ে দেখাও।
* এস না লড়াই করি তথ্য, পরিসংখ্যান ও উন্নয়নকে সামনে রেখে। আমরা রিপোর্ট কার্ড দিয়েছি। এস না লড়াই হোক। তোমার মোদী ৭ বছরে কী কাজ করেছে আর আমার দিদি ১০ বছরে কী কাজ করেছে। ১০-০ গোলে হারাব। চ্যালেঞ্জ দিয়ে যাচ্ছি।
* প্রাইভেট ফ্লাইট পাঠিয়ে এখন নেতা নিয়ে যাচ্ছে। আর পুরনো বিজেপিদের কপালে তো টোটোও জোটে না। এই হয়েছে অবস্থা।
* কাল দিলীপ ঘোষ বলছে আমরা রামকে চিনি। দুর্গাকে চিনি না। রামই নাকি সর্বেসর্বা। এরা এসব বলে কারণ নারীদের সম্মান দিতে পারে না। যারা নারীদের সম্মান দিতে পারে না তাদের নারীর ক্ষমতা আমাদের শিখিয়ে আগামী দিনে দিল্লি পাঠাতে হবে।
* যারা বলছে ‘জয় শ্রীরাম’, তাদের বলছি ‘জয় সীয়ারাম’ বলুন। চ্যালেঞ্জ করছি বলবে না। কারণ মহিলাদের এরা সম্মান দেবে না।
* একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ওনাকে হটাতে হবে এদের। যারা মহিলাদের অসম্মান করে তাদের বিরুদ্ধে আগামী দিন মহিলারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়বে। এত জোড়ে আওয়াজ তুলুন যেন দিল্লি কাঁপে।
* এই লড়াইটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করার লড়াই নয়, বহিরাগতদের বাংলা থেকে তাড়ানোর লড়াই। উত্তরপ্রদেশের বহিরাগত নেতাদের গুটখার থুতুতে বাংলার লোহায় জং ধরবে না।
* মে মাসে রেজাল্ট বেরালে সব কটাকে প্যাক করে গুজরাত আর উত্তরপ্রদেশে পাঠিয়ে দেবে বাংলার মানুষ।
* আয়ুষ্মান ভারত ১ কোটি ১২ লক্ষ লোককে দেওয়া হচ্ছে। আর স্বাস্থ্যসাথী ১০ কোটি মানুষকে। কোনটা নেবেন। হাত তুলে বলুন। আপনার বাড়িতে স্কুটার থাকলে, হাতে স্মার্টফোন থাকলে আয়ুষ্মান ভারত পাবেন না। কিন্তু কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ সবাই স্বাস্থ্যসাথী পাবেন।
* এরা বাংলার মানুষকে কিনতে এসেছে। বাংলার মানুষ কি গরু, ছাগল যে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি হবে। এই মাটি আন্দোলনের মাটি। এই মাটি বিক্রি হবে না।
* আমফানের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কত হাজার মানুষকে ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছে। রাতের পর রাত কাটিয়েছেন নবান্নে। মোদী কতবার এসেছে। একবার এসে ২০ মিনিট হেলিকটারে ঘুরে পালিয়েছে।
* স্বাস্থ্যসাথী কার্ড যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। ফ্রিতে রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য। বাংলা ছাড়া একটা রাজ্য বলুন তো যেখানে খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিনামূল্যে পাচ্ছে মানুষ। আগে গুজরাত সামলা, তারপর আসিস বাংলা।
* দুদিন আগে সিএএ নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে গেছে। গত ৫ বছরে ৫০টা বিল পাশ করেছে। একটা বিল পাশ করতে তিন মাস লাগে। সিএএ হয়েছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে। এখন এসে বলছে ভ্যাকসিনেশনের পরে সিএএ হবে। ভ্যাকসিনেশন হতে তো ১০ বছর লাগবে। তার মানে সিএএ হচ্ছে না। মতুয়াদের বিভ্রান্ত করেছে।
* বলছে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেব। মতুয়ারা নাগরিক না হলে তাদের ভোটে জিতে তুমি কীভাবে প্রধানমন্ত্রী হলে। তারা অবৈধ হলে তো তুমিও অবৈধ। তোমাকে তো ইস্তফা দেওয়া উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে সবাই বাংলার নাগরিক।
* বলছে ঘুষপেঠিওদের চুন চুন কে নিকালুঙ্গা। আরে বুকের পাটা থাকলে অরুণাচলে গিয়ে চিনের যারা ঢুকে আছে তাদের সরাও না আগে। কত দম দেখি। আমরা চাই ভারতের ভূখণ্ডতে ঢোকার চেষ্টা যারা করে তাদের দেশ থেকে বের করা হোক।
* কারা তলায় তলায় যোগাযোগ রাখছিল আমরা তো জানি। আমরা ধরে ফেলেছি। তাই এখন গদ্দারগুলো বেরিয়ে পড়েছে। আর এখন তো গাড়ির স্টিয়ারিং মমতা ব্যানার্জির হাতে। তাই ২৫০-এর থেকে একটা আসনও কমবে না।
* বলছে ২০০ পার করবে। আগে ডবল ডিজিট পার কর। সিপিএমের ২২ পারসেন্ট ভোট নিয়ে ১৮টা আসন পেয়েছে। তাদের একজনকেও মাঠে দেখেছেন।
* মমতা ব্যানার্জি ৯০ লক্ষ পড়ুয়াকে ট্যাব দিয়েছে। যাদের দিয়েছে তারা কেউ ভোট দেবে না। কিন্তু তাও তাদের দিয়েছে যাতে তারা ভবিষ্যতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। কোন রাজ্যে কোন মুখ্যমন্ত্রী করেছে।
* আজকের প্রজন্ম বয়স হয়ে গেলে বাবা-মাকে দেখে না। কিন্তু কোটি কোটি বাবা-মাকে ভাতা দিয়ে তাদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের সবার মেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
* যদি বাপের ব্যাটা হই, ভোট শেষ হওয়ার পরে তোমাদের দিয়েও 'জয় সীয়ারাম' বলিয়ে ছাড়ব।
* এবার দিল্লির মহিষাসুরগুলোকেও আচ্ছা করে বধ করা হবে। পুরানে হাজার হাজার অসুর ছিল। আর একদিকে দশ হাত নিয়ে মা দুর্গা একাই ছিল। এখানেও এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মা দুর্গার প্রতিচ্ছবি। আর অন্যদিকে নেতা, মন্ত্রী, ইডি, সিবিআই, কংগ্রেস, সিপিএম সবাই আছে। সেই মহিষাসুরগুলোও বধ হবে।
* পদ নয় পতাকা, নেত্রীর নাম মমতা, বলছে বাংলার জনতা, একুশে নবান্নে আবার মমতা।
* নোট নেবেন পদ্মফুলের, আর ভোট দেবেন জোড়াফুলে।