শেষ আপডেট: 19 May 2020 13:40
মাইকে করে প্রচার চলছে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন ব্লকে।[/caption]
করোনা মহামারীর মধ্যেই আসতে চলেছে আমফান। তাই দুর্গতদের জন্য ৬০০০ মাস্ক, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) কর্মীদের জন্য ১০০০ পিপিই কিট ও পর্যাপ্ত স্যানিটাইজারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। বসিরহাটে ১২০টা ত্রাণ শিবির চালু করা হয়েছে। সরকারি পাঁচশোটি পাকা বাড়িকে চিহ্নিত করে সেখানে দুর্গতদের রাখার চেষ্টা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। প্রতিটি ব্লকে নদীপথে একটি করে পেট্রোলিং বোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাইকে করে প্রচার চলছে উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া ব্লকগুলোতে। সন্দেশখালি ১ ও ২ নম্বর ব্লক, হিঙ্গলগঞ্জ, হেমনগর ও হাসনাবাদে উপকূলবর্তী এলাকায় দিনভর প্রচার করে সতর্ক করেছে প্রশাসন।
এই আমফান ঝড়ে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে এনডিআরএফ ১৯টি দল নামিয়েছে। এই দল উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর ও কলকাতায় ভাগ হয়ে কাজ করছে। জেলা প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন যায়গায় সতর্কতামূলক প্রচার করছেন তাঁরা। ঝড়ের আগে, পরে ও ঝড়ের সময় কী করা উচিত ও কী করা উচিত নয় সেকথা তাঁরা বলছেন। একথা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত এনডিআরএফের প্রধান কমাড্যান্ট নিশীথ উপধ্যায়।
সময় যত এগোচ্ছে রাজ্যের দিকে তত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আমফান। পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। হাওয়ার বেগ যত বাড়ছে ততই বাড়ছে ঢেউয়ের উচ্চতা। লোকজনকে উপকূলের কাছে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। আমফানের প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়।