
শেষ আপডেট: 2 May 2020 15:06
ক'দিন আগে বাঙ্গুর হাসপাতালের একটি ভিডিও ক্লিপিং ভাইরাল হয়েছিল। তাতে আইসোলেশন ওয়ার্ডের অব্যবস্থার ছবি উঠে এসেছিল। তা ছাড়া কেন্দ্রীয় টিম বাঙ্গুর হাসপাতাল ঘুরে তাদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল যে, সেখানে রোগীকে ভর্তি করার ব্যবস্থা বেশ অগোছালো। রোগীর নমুনা সংগ্রহের পর টেস্টের রেজাল্ট আসতে অনেক সময় লাগছে। এর পর কিছু নির্দেশিকা ঘোষণা করেছিল সরকার।
জানা গিয়েছে, বাঙ্গুর হাসপাতালে কোভিড আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য বয়সে নবীন কিছু চিকিৎসকের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আন্তরিকতার সঙ্গে এবং আধুনিক প্রোটোকল মেনে চিকিৎসা শুরু করার পরই ফল মিলতে শুরু করেছে। বাঙ্গুরের এক চিকিৎসক বলেন, গোড়াতে এই হাসপাতালে একটা ত্রুটি হয়েছে। তা হল কারও শ্বাসকষ্ট দেখলেই বাঙ্গুরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। অথচ তাঁদের শরীরে করোনাভাইরাস ছিল না। অন্য হাসপাতালে আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা করলেই অনেকে সুস্থ হয়ে যেতেন। কিন্তু এমনও হয়েছে যে শুধু শ্বাসকষ্ট নিয়ে বাঙ্গুরে ভর্তি হয়েছেন। এবং হাসপাতালের আসার পর কোভিডে সংক্রামিত হয়েছেন। তবে এখন আগের থেকে অনেক সুসংহত ভাবে চিকিৎসা চলছে।
https://twitter.com/wbdhfw/status/1256899286136020992
চিকিৎসকদের মতে, ৮০ শতাংশ কোভিড আক্রান্ত রোগীর উপসর্গ তীব্র নয়। মাত্র কুড়ি শতাংশ রোগীর সংকটজনক অবস্থা হচ্ছে বা তাঁদের ভেন্টিলেশন বা অক্সিজেন সাপোর্ট লাগছে। ভারতে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হারও কম। মাত্র ৩ শতাংশ। সন্দেহ নেই, ৪০ জন রোগীর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরাটা খুবই ইতিবাচক।