দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিডি বিড়লার দশম শ্রেণির ছাত্রী কৃত্তিকা পালের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে সোমবার মামলা দায়ের হয়েছিল। এ দিন ছিল সেই মামলার শুনানি। একই সঙ্গে অভিজাত এই স্কুলের পুরনো মামলা নতুন মোড় নিল আদালতে। এই মামলায় কৃত্তিকা পালের মা-বাবাকে নতিস পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট। নোটিস পাঠানো হয়েছে স্কুলের সেক্রেটারি এবং প্রিন্সিপালকেও।
বিচারপতি প্রতীক প্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় জিডি বিড়লার ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার মন্তব্য করেন, "বারবার একই জিনিস চলতে পারেনা।" ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে নার্সারির ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের ঘটনার পরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কী কী পদক্ষেপ রাজ্য নিয়েছে এবং কৃত্তিকা পালের মৃত্যুর পরে তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে, এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে দুটি পৃথক হলফনামা জমা দিতে বলেছে আদালত। মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে সেই হলফনামা। এছাড়া, স্কুলগুলির শৌচালয়ের পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা সুনিশ্চত করতে রাজ্যকে একাধিক পরামর্শ দিয়েছে কোর্ট।
আদালত বলেছে,শৌচালয়ের বাইরে কোনো অ্যাটেন্ডেন্ট রাখা যায় কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। বৃহত্তর কলকাতার স্কুলগুলোতে অ্যাটেন্ডেন্ট রাখতে হলে মোট কত এটেন্ডেন্ট লাগবে তাও জানতে চেয়েছে আদালত। বৃহত্তর কলকাতার স্কুলগুলিতে কত শৌচালয় আছে তারও তথ্য চেয়েছে আদালত।
কৃত্তিকা পালের বিষয়টি ছাড়া লা মার্টিনিয়ার স্কুলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিআইএসএফ-এর রিপোর্ট নিয়েও কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। প্রিয়াঙ্কা জিডি বিড়লার পুরনো মামলায় নির্যাতিত ছাত্রীর পরিবারের আইনজীবী ছিলেন। এ ছাড়া কৃত্তিকার বিষয়টি তিনিই আদালতের নজরে এনেছেন। বিচারপতি প্রতীক প্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় এতেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যের কাছে স্কুলের নিরাপত্তার ব্যাপারে বিশদে জানতে চেয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২২ জুলাই।