
শেষ আপডেট: 18 April 2023 14:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো:২০১৯-এর লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হচ্ছে সেদিন। খুব গরম। দুপুরবেলা যখন ফলাফল মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, তখন দেখা গিয়েছিল আকাশি রঙের সুতির শাড়ি আর ম্যাচিং ব্লাউজ পরে আসানসোল লোকসভার গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসছেন তৃণমূল প্রার্থী শ্রীমতী দেববর্মা। বাংলা যাঁকে মুনমুন সেন (Munmun Sen) নামেই চেনে। মুনমুন তখন জেনেই গিয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির বাবুল সুপ্রিয় জিততে চলছেন। সেই সময়ে সাংবাদিকরা মুনমুনের গাড়ির সামনে গিয়ে প্রতিক্রিয়া চাইতেই তাঁর হাস্কি গলায় জবাব ছিল, ‘আমার খুব দুখ্ হয়েছে। তোমরা চলে যাও। চলে যাও বলে দিচ্ছি!’
বাবুল এখন বিজেপি ছেড়ে এসে তৃণমূলের মন্ত্রী। এদিকে মুনমুন সেন নিঃশব্দে তৃণমূলটাই (TMC) ছেড়ে দিলেন।
সম্প্রতি কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মুনমুন। তাঁকে সাংবাদিকরা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করতেই মুনমুন জবাব দেন, ‘এই শোনো! আমি আর কোনও পার্টিতে নেই’।
অর্থাৎ মুনমুন তৃণমূল ছেড়ে দিয়েছেন। মাঝে জল্পনা তৈরি হয়েছিল তিনি ত্রিপুরায় গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। ত্রিপুরা রাজবাড়ির ছেলে ভরত দেববর্মা তাঁর স্বামী। প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী যিষ্ণু দেববর্মা মুনমুনের সম্পর্কে দেওর হন। যিষ্ণু যদিও এবার ভোটে হেরে গিয়েছেন। তবে মুনমুন গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাননি।
২০১৪-র ভোটে বাঁকুড়া থেকে মুনমুনকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনও বাঁকুড়ায় বিজেপির এত রমরমা ছিল না। সেবার দীর্ঘদিনের সিপিএম সাংসদ বাসুদেব আচারিয়াকে হারিয়ে সংসদে গিয়েছিলেন মুনমুন। চোদ্দয় বাঁকুড়ায় জেতা মুনমুনের উনিশে আসন বদল করে দিয়েছিলেন দিদি। কিন্তু দ্বিতীয়বার হেরে যান। সেই মুনমুন জানিয়ে দিলেন, রাজনীতি থেকে তিনি এখন দূরে। অনেক দূরে।
মুকুলকে দিল্লিতে কেউ খুঁজে পাচ্ছে না, মোবাইল লোকেশন দেখে খোঁজ শুরু বিধাননগর পুলিশের