
শেষ আপডেট: 4 May 2023 08:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ময়নায় (Moyna) নিহত বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার দেহ তমলুকের মর্গ থেকে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে আসা নিয়েই যা চলেছে সকাল থেকে তাতে ঘুম উড়েছিল পুলিশ-প্রশাসনের। একেই বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালে মর্গ থেকে দেহ নিয়ে যেতে হবে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে। সেখানেই নিহত বিজেপি নেতার দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হবে। কিন্তু এদিন সকালে দেহ বের করা নিয়েই ঝামেলা শুরু হয় হাসপাতাল সুপার ও ওসির মধ্যে। পরস্পরকে দোষারোপ করতে গিয়ে দেহ দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে মর্গেই। সে নিয়ে অভিযোগও করেছেন বিজেপি নেতার ছেলে প্রসেনজিৎ ভুঁইয়া।
বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হোক এই দাবি তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাতে সায় দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত নির্দেশ দেয়, বিশেষ দল গঠন করে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে হবে ময়নাতদন্ত।
হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, ময়না থেকে দেহ আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত হবে। রাজ্যের দু'জন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ উপস্থিত থাকতে পারবেন। চাইলে থাকতে পারবেন পরিবারের সদস্যরাও। । ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পরিবার ও ময়না থানাকে দেবে কমান্ড হাসপাতাল। তমলুক হাসপাতালে পরিবারকে দেহ দেখিয়ে অবিলম্বে রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তায় মৃতদেহ কলকাতায় নিয়ে আসতে হবে এবং ফেরত নিয়ে যেতে হবে। চার সপ্তাহের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় থাকবে পরিবার। আগামী সোমবারের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যকে।
অরুণ হালদার আরএসএস করেন, বাংলাকে ‘রাজনৈতিক নেতৃত্ব’ দিতে চান, ঢাকায় দূত হলেও চলবে
কিন্তু হাসপাতাল সুপার ও ওসির ঝামেলার জেরে দেহ তমলুক থেকে কলকাতায় নিয়ে আসাই প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বাবার দেহ কলকাতা পাঠানো নিয়ে পুলিশি গড়িমসি করার অভিযোগ করেছেন প্রসেনজিৎ। তাঁর দাবি, তিনি সকাল ৮টা নাগাদ তমলুক হাসপাতালে পৌঁছলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। প্রসেনজিতবাবু এর আগেও অভিযোগ করেছিলেন, পরিবারের সদস্যদের মত না নিয়েই তমলুক হাসপাতালে তাঁর বাবার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। এর ফলে তথ্যপ্রমাণ লোপাট হয়ে গেছে বলেও আশঙ্কা ছিল তাঁর। যদিও এ ব্যাপারে পূর্ব মেদিনীপুর পুলিশ কোনও উত্তর দিতে চায়নি।