দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরুষরা অবহেলিত, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁদের ফাঁসানো হয় মিথ্যা অভিযোগে। ভারতের আইনের চোখে ৪৯৮ ধারায় একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়ে যায় পুরুষ সমাজ। তাই এবার তাঁদের পক্ষে সুবিচারের দাবিতে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলেন পুরুষরা।
ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলায়। সোমবার বীরভূমের জেলাশাসকের দফতরে হাজির হন পুরুষ কল্যাণ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্যরা। একাধিক দাবি নিয়ে নিয়ে তাঁরা একটি ডেপুটেশনও জমা দেন জেলাশাসকের কাছে।
সমাজে অবহেলিত পুরুষেরা। সংবিধানের ৪৯৮ ধারার ভিত্তিতে একাধিক ক্ষেত্রে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয় তাদের। সমাজে নারী-পুরুষ সমান সমান। তাই পুরুষদের অধিকারের পক্ষে যাতে আইন সংশোধন করা হয়, সেই দাবিও রাখেন পুরুষ কল্যাণ সমিতির সদস্যরা।
আজ তাঁদের দাবি ছিল, বিভিন্ন আইনের ধারাকে অপব্যবহার করে পুরুষদের ফাঁসানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, আইনের সঠিক ব্যবহার হোক, অপব্যবহার নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 'ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স'কে আধার করে পুরুষদের ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ। অন্যায় না করা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে খোরপোষও দিতে হয় পুরুষদের।
মহিলাদের পক্ষে যেহেতু আইন আছে, সেই আইনের সঠিক ব্যবহার করা কথা বলা হয় ডেপুটেশনে। এমনকি পুরুষদের জন্যও যেন প্রতিরোধের আইন থাকে। এমনই দাবি জানানো হয়। এই সমিতির সদস্য গৌতম সেন জানান, কিছু ক্ষেত্রে বিভিন্ন আইনের ভুল ব্যবহারের ফলে অনেক পরিবার নষ্ট হয় যাচ্ছে। কেবল অভিযোগকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রমাণ ছাড়াই মামলাগুলো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যায়। এটা বন্ধ হওয়া উচিত।
সোমবার বেশ কয়েকজন পুরুষ ভিড় করেন বীরভূমের জেলাশাসকের দফতরের সামনে। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা, গার্হস্থ্য অত্যাচার আইনে পুরুষদের অধিকার চাই, পুরুষদের ওপর অত্যাচার কেন? ইত্যাদি নানা অভিযোগ।