
তিস্তার জলে ভাসল ক্রান্তি
শেষ আপডেট: 14 June 2024 15:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাগাতার চলছে বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার থেকে জল বাড়ছিল তিস্তায়। তিস্তার জলে প্লাবিত হল ক্রান্তির ব্লকের সাহেব বাড়ি ও পূর্ব দোলাইগাঁও এলাকা। আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধের উপরে। বৃহস্পতিবার থেকেই দিনভর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এলাকার মানুষকে নিরাপদ সরিয়ে আনার কাজ চালিয়ে যান। গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, একাধিক বাড়িতে জল ঢুকে পড়ায় গরু, ছাগল সহ বাড়ির আসবাবপত্র নৌকা করে সরিয়ে আনছেন বাসিন্দারা।
গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টি চলছে। তিস্তার জল বেড়ে যাওয়ায় গজলডোবা থেকে জল ছাড়া হয়। ফলে তিস্তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় জল ঢুকে যায়। চেংমারি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল সামাদ বলেন, "চেংমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেববাড়ি,পূর্ব ধলাইগাও ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জল ঢুকেছে। বাসিন্দাদের থাকার ব্যবস্থা ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার এলাকা পরিদর্শনে যান ক্রান্তির বিডিও রিমেল সরেন সহ প্রশাসনের কর্তারা।
এদিকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে জলপাইগুড়িতেও। লাগাতার ভারী বৃষ্টির জেরে বেশ কিছু এলাকার মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। বেশ কিছু এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। তবে শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা।
বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত সিকিমও। লাচুং ও চুংথাংয়ে আটকে পড়েছেন দেড় হাজারের বেশি পর্যটক। ধস নেমে বিপর্যস্ত যোগাযোগ। অবিরাম বৃষ্টি এবং নতুন ভূমিধসের কারণে রাস্তা মেরামতের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে পর্যটকদের যাতে অসুবিধা না হয়, তারজন্য তারা সজাগ রয়েছে বলে জানিয়েছে সিকিম প্রশাসন। উত্তর সিকিমে এখনও পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাঁরা সবাই স্থানীয় মানুষ বলেই জানা গেছে।