
শেষ আপডেট: 21 August 2023 07:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: মাত্র ৮ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে চলছিল নির্যাতন। সেই পণ না পাওয়াতেই বধূকে হাত-পা বেঁধে বিদ্যুতের শক দিয়ে চূড়ান্ত নির্যাতন করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে (Malda woman killed)।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার শ্রীপুর এলাকায়। মৃতা বধূর নাম জুলি পারভিন। মাত্র ৮ মাস আগে শ্রীপুরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে সামাজিক রীতিনীতি মেনে বিয়ে হয়েছিল ২০ বছরের তরুণীর। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে নগদ ৫০ হাজার টাকা সহ সোনার গয়না এবং অন্যান্য ঘর সাজানোর জিনিস দিয়েছিলেন জুলির পরিবারের লোকজন। কিন্তু তারপর ফের এক লক্ষ টাকা পণ চাওয়া হয় জাহাঙ্গীরের পরিবারের তরফে।
খবর পেয়ে গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি ছুটে যান মেয়ে শ্বশুর বাড়িতে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, জুলির সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত, গায়ে ফুটোর মতো দেখতে আঘাতের দাগ রয়েছ। তা দেখেই মৃত গৃহবধূর পরিবারের সদস্যদের অনুমান, তাঁদের মেয়েকে ইলেকট্রিক শক দিয়ে অত্যাচার করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর মৃত গৃহবধূর পরিবারের তরফে জুলির স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে (dowry death)।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
স্কুলের শিক্ষক বকেছিলেন, অভিমানে গলায় দড়ি দিল ১৭ বছরের কিশোরী