দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন ১০৩ যাত্রী। কলকাতা বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের পেটে এসে ধাক্কা মারল একটি বড় জলের ট্যাঙ্কার। বরাতজোরে, সেই সময়ে যাত্রীরা বিমানে ছিলেন না।
বুধবার রাত তখন সওয়া তিনটে। কাতার এয়ারওয়েজের বিমানটি দোহা থেকে কলকাতা এসে পৌঁছেছে রাত দুটো নাগাদ। ফিরতি বিমানে কলকাতা থেকে দোহা যাওয়ার জন্য ১০৩ জন যাত্রী তখনও বিমানে ওঠেননি।। বিমানটি সাফ করা হচ্ছিল। এমন সময়েই ঘটল বিপর্যয়। বিমানের শৌচাগারে জল ভরার জন্য জলের ট্যাঙ্কার আসছিল। সেটি এসেই সটান ধাক্কা মারে পার্কিং বে-তে দাঁড়িয়ে থাকা বিমানের পেটে। বিমান কেঁপে ওঠে। পেটের দিকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কাতার এয়ারওয়েজের এই বিমানটি বোয়িং ৭৮৭, ড্রিমলাইনার। যে কোনও বিদেশি বিমানসংস্থার জন্য কলকাতায় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করে এয়ার ইন্ডিয়া। ব্যাগেজ নামানো, টয়লেট সাফ করা, জল ভরা ইত্যাদি কাজ করে তারা। সেই কারণেই জলের ট্যাঙ্কারটিকে পাঠানো হয়। সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কী ভাবে সোজা বিমানের পেটে লাগল, তা দেখতে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) তদন্ত শুরু করেছে। তবে সূত্রের খবর, জলের ট্যাঙ্কারের চালক বলেছেন গাড়ির ব্রেক ফেল করায় এই বিপত্তি ঘটে। তবে চালক নেশা করেছিলেন বলে মনে করে রাতেই তাঁর একটি মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়। কিন্তু প্রাথমিক খবর, সেই পরীক্ষায় এমন কিছু পাওয়া যায়নি যাতে প্রমাণিত হয় তিনি নেশা করেছিলেন।
বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটিকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। দোহা যেতে পারেননি ১০৩ যাত্রী। তাঁদের অনেকেই দোহা থেকে অন্যান্য দেশে যাওয়ার কানেক্টিং বিমান ধরার কথা ছিল দোহা থেকে। সেগুলিও তাঁরা বলাই বাহুল্য ধরতে পরেননি। বৃহস্পতিবার রাতে একটি বড় বিমান পাঠাবে কাতার এয়ারওয়েজ। সেই বিমানে বুধ ও বৃহস্পতিবারের যাত্রীদের পাঠানো হবে দোহা। আসবেন ইঞ্জিনিয়ারও, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটিকে সারানো যায়।