
শেষ আপডেট: 7 June 2023 09:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: জেলবন্দি ১১ জন কুড়মি নেতার মুক্তির দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করলেন কুড়মিরা। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম শহরে রঘুনাথপুরে পুলিশি সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এবং জেলবন্দি কুড়মি নেতাদের মুক্তির বিশাল সমাবেশের ডাক দিয়েছিল কুড়মি সমাজ। সেখানেই ঠিক হল আন্দোলনের কর্মসূচি।
কুড়মি নেতা অজিত মাহাত জানান, প্রথমে হবে ‘কুটুম কুটমালি ভায়দি জিয়াও’। এই আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিটি জেলায় কুড়মি সমাজ থেকে যারা সাংসদ, মন্ত্রী, বিধায়ক হয়েছেন তাঁদের বাড়িতে এক হাজার বাইক মিছিল যাবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত এই কর্মসুচি চলবে। এরপর হবে ‘নাতা জোড়ান’। বিভিন্ন গ্রামে কুড়মি সমাজের বাইরের মানুষদেরও জোড়া হবে আন্দোলনে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হলে প্রতি গ্রাম এবং বুথ থেকে দুজন করে প্রতিনিধি নিয়ে হবে বৈঠক। সেই বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা এখনই জানানো হবে না।

এদিন অজিতবাবু অভিযোগ করেন, তালিকাভুক্ত আদিবাসী তথা সাঁওতাল ও কুড়মিদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে চাইছে প্রশাসন। কুড়মিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তাঁদের আন্দোলন ভেঙে দেওয়ার জন্য কনভয়ে হামলায় তাদের নাম জড়ানো হয়েছে। অকারণে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুরো ঘটনার পিছনে রয়েছে ষড়যন্ত্র। ৮ জুন আদিবাসী সামাজিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে কুড়মিদের আদিবাসী জনজাতি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে রাজ্য জুড়ে ২৪ ঘণ্টা বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রামে মঙ্গলবারের সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন কুড়মি সমাজের একটা বড় অংশের মানুষ। মূল মঞ্চে কুড়মি শিল্পীদের সুরে তৈরি হয়েছিল আবেগঘন পরিবেশ।
সন্ধেয় হাঁটতে বেরিয়ে ছিনতাইবাজদের খপ্পরে! সোনার চেন লুঠ মহিলার