
শেষ আপডেট: 3 October 2022 10:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: মহাষ্টমীর (Ashtami) সকালে পুরনো রীতি মেনে বেলুড় মঠে (Belur Math) সম্পন্ন হল কুমারী পুজো (Kumari Puja)। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দের হাত ধরেই বেলুড়মঠে শুরু হয়েছিল দুর্গাপুজো। আর সেই বছর থেকেই কুমারী পুজো হয়ে আসছে সেখানে। এখন প্রতিবছর পাঁচ থেকে সাত বছর বয়সী কোনও একজন কুমারীকেই পুজো করা হয় সেখানে।
বেলুড় মঠে কুমারীপুজো দেখতে প্রতিবছর সেখানে অসংখ্য ভক্তের সমাগম হয়। যদিও গত দু'বছর করোনার ভয়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশে লাগাম টেনেছিল মঠ কর্তৃপক্ষ। তবে এবার ফের সকলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে প্রধান দরজা। পুরাণ মতে, দেবী দুর্গা কুমারীরূপেই আবির্ভূতা হয়েছিলেন দেবতাদের সামনে। আর সেই রীতিই বহন করে মহাষ্টমীর সকালে আয়োজন করা হয় কুমারী পুজোর।
বলা হয়, সমস্ত নিয়ম মেনে হোম-যজ্ঞ করা হলেও যদি কুমারী পুজো না হয়, তাহলে দুর্গাপুজোর সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না। তাই এখন কুমারী পুজোও দুর্গাপুজোর এক অন্যতম উপাচার হয়ে গিয়েছে। কথিত আছে, কুমারী পুজোয় কোনও জাতি-ধর্ম-বর্ণ ভেদ নেই। দেবীজ্ঞানে যে কোনও কুমারীই পূজনীয়। কিন্তু সাধারণত দেখা যায়, ব্রাহ্মণ বংশের কুমারী কন্যাই সব জায়গায় পূজিত হয়।
বেলুড় মঠের পাশাপাশি বহু বছর বাদে এবার কুমারী পুজো হয়েছে তারাপীঠেও। রামকৃষ্ণদেবের জন্মস্থান কামারপুকুরেও কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনেও কুমারী পুজো করা হয়। সেখানে দেবী জ্ঞানে পূজিত হয়েছে ৬ বছরের ছোট্ট কন্যা আরাধ্যা।
সেরার সেরা সুরুচি সংঘ, দশভূজা সম্মানের তালিকায় আর কোন কোন পুজো?