নাগাড়ে মর্টার শেল ছুড়ছে পাক সেনা, ভাঙছে বাড়িঘর, আতঙ্কে সীমান্তের একাধিক গ্রাম
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে একনাগাড়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পাক রেঞ্জার্স বাহিনী। সীমান্ত লাগোয়া কাঠুয়ার হীরানগর সেক্টরের জনজীবন বিপর্যস্ত। পাক বাহিনীর মর্টার হামলায় ভাঙছে গ্রামবাসীদের বাড়িঘর। আহতও হচ্ছেন অনেকে।
গত মঙ্গলবার থেকে
শেষ আপডেট: 11 December 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে একনাগাড়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পাক রেঞ্জার্স বাহিনী। সীমান্ত লাগোয়া কাঠুয়ার হীরানগর সেক্টরের জনজীবন বিপর্যস্ত। পাক বাহিনীর মর্টার হামলায় ভাঙছে গ্রামবাসীদের বাড়িঘর। আহতও হচ্ছেন অনেকে।
গত মঙ্গলবার থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্তে হামলা চালাচ্ছে পাক সেনা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলি লক্ষ্য করে মর্টার শেল ও গুলি ছুড়ছে পাক বাহিনী। রাঠুয়া, পানসার গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দার বাড়িঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে গেছে বলে খবর।
সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএএসএফ)-র এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সেনা ছাউনির বদলে এখন সীমান্তের গ্রামগুলি বেছে নিচ্ছে পাক বাহিনী। সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালানো অনেক সহজ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তাই বেশি হচ্ছে। কয়েকটি জায়গা নতুন করে পাক-নিশানা হয়ে উঠেছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার থেকে ৫০টি বর্ডার আউটপোস্ট এবং সীমান্তের প্রায় পঁয়ত্রিশটি গ্রাম লক্ষ্য করে মর্টার ও গুলি ছোড়ে পাক রেঞ্জার্সরা।
“রাতভর গুলি চলেছে সীমান্তের ওপার থেকে। ছেলেমেয়ে নিয়ে আমরা আতঙ্কে রাত কাটিয়েছি। ভোরে একটি মর্টার শেল এসে পড়ে আমার বাড়িতে, দেওয়াল ধসে পড়েছে,” বলেছেন রাঠুয়া গ্রামের বাসিন্দা শান্তি কুমার। কাঠুযার বাসিন্দা আরতি দেবীর কথায়, “প্রতিদিন আতঙ্কে কাটাতে হয়। রাতে গোলাগুলির আওয়াজে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করতে পারে না। আমাদের গ্রামে পাঁচটি বাড়ি কাল রাতে ভেঙে গুঁড়িয়ে গেছে।”

ভারতীয় সেনাবাহিনীর মতে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপের পর থেকেই হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। পরিসংখ্যানই বলছে, তার পর থেকে ৬০০ বারেরও বেশি সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাক বাহিনী। এই পরিসংখ্যান বুঝিয়ে দিচ্ছে পাকিস্তান কতটা মরিয়া হয়ে উঠেছে। ওরা চাইছে বরফ পড়ার আগে কাশ্মীরে বড় ধরনের জঙ্গি অনুপ্রবেশ করাতে। পাক মর্টার হামলায় ইতিমধ্যেই বিধ্বস্ত জম্মুর মনইয়ারি এলাকা।