Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

যুব তৃণমূল নেতার দেখা মিলল ৪ মাস পর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জলপাইগুড়ি আদালতে সৈকত

যুব তৃণমূল নেতার দেখা মিলল ৪ মাস পর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জলপাইগুড়ি আদালতে সৈকত

শেষ আপডেট: 16 October 2023 11:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: দীর্ঘ চারমাস বেপাত্তা ছিলেন। অবশেষে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে সোমবার সকাল সকাল জেলা আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এলেন জলপাইগুড়ির যুব তৃণমূল জেলা সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই দম্পতিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এলেন তিনি।  

 তবে সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন শুনলেনই না জলপাইগুড়ির জেলা জজ অরুণকিরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা জজের কাছে সৈকত আবেদন করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তিনি উপস্থিত হয়েছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করবেন, তিনি রক্ষাকবচ চান। জেলা জজ জানিয়ে দেন, এই মামলা শোনার এক্তিয়ার তাঁর নেই। সিজেএম আদালতেই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। এরপরেও বারবার আবেদন শোনার জন্য আর্জি জানাতে থাকেন সৈকত। কিন্তু শোনেননি জেলা জজ। সিজেএম আদালতেই সৈকতের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।

 

চলতি বছরের পয়লা এপ্রিল অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় জলপাইগুড়ি পান্ডাপাড়ার বাসিন্দা অপর্ণা ভট্টাচার্য ও তাঁর স্বামী সুবোধ ভট্টাচার্যের। এই দম্পতি ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের ভাই ও ভাইয়ের বউ। ঘটনার পর শিখাদেবী, সৈকত চট্টোপাধ্যায়-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু সৈকতের খোঁজ না মেলায় গ্রেফতার করা যায়নি তাঁকে। পরে আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানান তিনি।

 গত কয়েক মাস ধরে নানা ঘটনাপ্রবাহে এই মামলার জল কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। সেখানেও সৈকতের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এদিকে পুলিশও সমান্তরালভাবে ঘটনার তদন্ত চালাতে থাকে। একাধিকবার বাড়িতে হানা দিয়েও সৈকতের খোঁজ পায়নি পুলিশ। এরপর তার নামে হুলিয়া জারি করার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল পুলিশ। এদিকে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চে ধাক্কা খেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সৈকত। সুপ্রিম কোর্টেও আগাম জামিনের আবেদন নাকচ হওয়ার পর আদালতে আত্মসমর্পণ ছাড়া তাঁর অন্য কোনও উপায় ছিল না। ২৬ তারিখের মধ্যে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

 


```