বারের পরে ছাদে মদ্যপান, অতিরিক্ত নেশাই কি বিপদ ডেকে আনল! তদন্তে পুলিশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছরের প্রথম দিনেই যাদবপুরের পোদ্দারনগরে একটি বহুতলের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছিল গৃহবধূ সুইটি সূত্রধরের দেহ। তারপর রহস্য তৈরি হয় ওই মৃত্যু নিয়ে। বর্ষবরণের রাতে স্বামী কুন্তলের সঙ্গে সুইটি ছাদে উঠেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। পুলিশ তদ
শেষ আপডেট: 2 January 2020 15:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছরের প্রথম দিনেই যাদবপুরের পোদ্দারনগরে একটি বহুতলের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছিল গৃহবধূ সুইটি সূত্রধরের দেহ। তারপর রহস্য তৈরি হয় ওই মৃত্যু নিয়ে। বর্ষবরণের রাতে স্বামী কুন্তলের সঙ্গে সুইটি ছাদে উঠেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। পুলিশ তদন্তে নামে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে স্বামী ঠেলে ফেলে দিয়েছেন নাকি নেশার ঘোরেই ছাদ থেকে পড়ে যান সুইটি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, অতিরিক্ত নেশার কারণেই বেসামাল হয়ে ছাদ থেকে পড়ে যান সুইটি।
বৃহস্পতিবার সকালে মৃতার স্বামী কুন্তলকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করে পুলিশ। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরায় কুন্তল বলেন, আবাসনের ছাদে মদ্যপান করার আগে তিনি ও সুইটি কলকাতার একটি অভিজাত বারে মদ্যপান করে আসেন। কুন্তল এও বলেন, সেখানে তাঁরা দু’জনে পাঁচ পেগ করে হুইস্কি খেয়ে আবাসনে ফেরেন। আবাসনের ছাদে চলছিল পার্টি। সেখানে আবার মদ্যপান শুরু করেন দু’জনে।

আবাসনের অন্য বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনেক রাতে কুন্তল বেহুঁশ হয়ে পড়লে তাঁকে বেডরুমে শুইয়ে দিয়ে আসা হয়। কিন্তু সুইটি ছাদেই থেকে যান। চালিয়ে যান মদ্যপান। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বারবার ডেকেও কিছুতেই সুইটিকে ঘরে নিয়ে যাওয়া যায়নি। তাঁরাও একএক করে নিজেদের ঘরে চলে যান। শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের ছাদে একাই ছিলেন ওই তরুণী গৃহবধূ।
সকালে উঠে স্ত্রীকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন কুন্তল। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। আবাসনের পিছনের ফাঁকা জায়গা থেকে উদ্ধার হয় সুইটির রক্তাক্ত দেহ। পুলিশ মনে করছে মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে কোনও জ্ঞান ছিল না সুইটির। সেই জন্যই হয়তো বেসামাল হয়ে ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছেন তিনি। যদিও তদন্ত এখনও চলবে বলে জানিয়েছে লালবাজার।