
শেষ আপডেট: 17 July 2020 18:30
গবেষক ডক্টর সিমোন কোরির টিম[/caption]
ডক্টর সিমোন বলছেন, এই টেস্টের জন্য খুব সাধারণ পদ্ধতিতে অ্যাগ্লুটিনেশন অ্যাসে তৈরি করা হয়েছে। অ্যাগ্লুটিনেশন হল একরকম ইন্ডিকেটর যা রক্তে অ্যান্টিবডিকে চিহ্নিত করতে পারে। গবেষক বলছেন, কোভিড আক্রান্ত রোগীর ২৫ মাইক্রোলিটার প্লাজমা বা রক্তরসের নমুনা নিয়ে এই টেস্ট করে দেখা গেছে, মাত্র ২০ মিনিটেই প্লাজমায় অ্যান্টিবডি চিহ্নিত করা যাচ্ছে।
রোগীর নাক বা গলা থেকে নেওয়া নমুনায় ভাইরাল স্ট্রেন শনাক্ত করতে গেলে আরটি-পিসিআর টেস্ট করার দরকার হয়। ডক্টর সিমোন বলছেন, আরটি-পিসিআর টেস্টে অনেক বেশি সময় লাগে। তাছাড়া ভাইরাল স্ট্রেন চিহ্নিত করার জন্য অনেকগুলো রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এই পরীক্ষা আরও তাড়াতাড়ি ও সহজে হয়। রোগীর রক্তের নমুনায় খুব দ্রুত অ্যান্টিবডির পরিমাণ নির্ণয় করা যায় এই পদ্ধতিতে। কনট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের জন্যও এই অ্যান্টিবডি টেস্ট কার্যকরী। আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে আসাদের ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে কিনা সেটা রক্ত পরীক্ষার এই পদ্ধতিতেই বলে দেওয়া সম্ভব।
মোনাস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে এক ঘণ্টায় ২০০টি রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। কোনও হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে যদি উন্নতমানের ডায়াগনস্টিক মেশিন থাকে তাহলে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে ঘণ্টায় সাতশোর বেশি স্যাম্পেল টেস্ট করা যেতে পারে। গবেষকদের দাবি, বহু মানুষের করোনা পরীক্ষা একসঙ্গে ও দ্রুতগতিতে করা সম্ভব। সময়ও কম লাগবে এবং নির্ভুলভাবে কোভিড পরীক্ষা করা যাবে।
কোভিড টেস্টের এই পদ্ধতি এখনও ট্রায়ালের স্তরেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষক সিমোন। তিনি বলেছেন, সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পরেই সমস্ত হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলিতে এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করে দেওয়া হবে।