দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে ফের বাড়ল সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে সংক্রমণে। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৯ জনে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৫ এপ্রিল, রবিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩৭৪। তবে এর মধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৬৭ জন।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের সঙ্গে যৌথভাবে সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এই পরিসংখ্যান জানানো হয়েছে। আইসিএমআরের এপিডেমোলজি ও কমিউনিকেবল ডিজিজের প্রধান রমন আর গঙ্গাখেদকার বলেছেন, “যদি করোনাভাইরাস রেসপিরেটারি ড্রপলেটে (হাঁচি-কাশি-থুতু-লালা) না ছড়িয়ে এয়ারবোর্ন (হাওয়ায় ভেসে সংক্রমণ ছড়ায়) হয় তাহলে ঘরে ঘরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে। একই বিপদ ঘটবে হাসপাতালগুলিতেও। ”
রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল আরও জানান, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪৭২ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার সকাল অবধি ৬০১ জনের শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল।
ক্রমশ আক্রান্তের সংখ্যা যে বাড়বে সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও আইসিএমআর আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল। কারণ একে তো সংক্রমণ কমবেশি ছড়িয়েছে। দ্বিতীয়ত, যত বেশি সংখ্যক মানুষকে একদিনে টেস্ট করা যাবে তত বেশি আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যাবে।
গত কয়েকদিনে আক্রান্তের সংখ্যা দুম করে বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে দিল্লির তবলিঘি জামাতের জমায়েতের দিকে আঙুল তুলছেন অনেকেই। কারণ, দেখা যাচ্ছে দক্ষিণের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে অনেকের মারকাজ-যোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, দিল্লির তবলিগ-ই-জামাতে যোগ দিয়েছিলেন এমন হাজার জনের শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ।