
শেষ আপডেট: 19 June 2023 14:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে রোজ যেন নতুন নতুন শব্দ, বাক্য, উপমা দিয়ে বিঁধতে শুরু করেছে তৃণমূল। সোমবার রাজ্যপাল যা বলেছেন তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘বিমান বসু যেমন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান, তেমন এই রাজ্যপাল হলেন রামফ্রন্ট চেয়ারম্যান।’
কুণালের বক্তব্য হল, ‘বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস, আইএসএফ—এই চারটেকে নিয়ে একটা মিলিজুলি ফ্রন্ট হয়েছে, তার চেয়ারম্যান রাজ্যপাল। বিমানদার থেকে একটু উপরে।’
পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পর্বের অশান্তি নিয়ে কড়া বিবৃতি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। শয়তানের খেলা, জঙ্গলের রাজত্ব-সহ বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করেছিলেন সেই বিবৃতিতে। পরিস্থিতি দেখতে নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন ভাঙড়, ক্যানিংয়ে। এদিন কুণাল প্রশ্ন তোলেন, তৃণমূলের যাঁরা নিহত হচ্ছেন তাঁদের বাড়িতে কেন যাচ্ছেন না রাজ্যপাল? তাঁদের জন্য কি মন কাঁদছে না?
তৃণমূল মুখপাত্রের সরাসরি অভিযোগ, বিরোধীদের হাওয়া দিতেই রাজ্যপাল বিভিন্ন বিবৃতি দিচ্ছেন। তাঁর কথায়, ‘রাজ্যপালের তো গর্ব হওয়া উচিত, ৬১ হাজার বুথের মধ্যে মাত্র চারটে বুথে গন্ডগোল হয়েছে। তাও বিরোধীরা নিজেদের স্বার্থে গন্ডগোল পাকিয়েছে।’
ইতিমধ্যে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, রাজভবনে তিনি শান্তি কক্ষ খুলেছেন। সেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। তাঁর এও বক্তব্য, বাংলায় যে অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে যেমন পদক্ষেপ হওয়ার তাই হচ্ছে। কুণালের দাবি, রাজ্যপাল যেভাবে শান্তি কক্ষ খুলেছেন, তা তাঁর এক্তিয়ার বহির্ভূত।
শনিবার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুলেছিলেন কুণাল। টুইটে কুণাল লিখেছিলেন, রাজ্যপাল কি তাঁর পোশাকআশাক রাজভবনের কোষাগার থেকে কেনেন। যদি তাই হয় তাহলে তা নীতিবহির্ভূত। আর যদি তা না হয়ে থাকে তাহলে রাজ্যপালের কাছে কুণাল ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত। যদিও সেসব নিয়ে রাজ্যপাল কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। তারপর এদিন রাজ্যপালকে ‘রামফ্রন্টের চেয়ারম্যান’ বলে কটাক্ষ করলেন কুণাল।