Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

৮৮ বছর বয়সে জিতলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থী, টানা ৫৮ বছর ধরে জয়ের ধারা অব্যাহত

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: শুরুটা হয়েছিল আজ থেকে ৫৮ বছর আগে, ১৯৬৫ সালে। তারও আগে বাবার হাত ধরে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন গোপাল নন্দী। কংগ্রেসি ঘরানার রাজনীতিতে সেই তখনই হাতেখড়ি। তারপর সংসদীয় গণতন্ত্রের আঙিনায় প্রবেশ। ১৯৬

৮৮ বছর বয়সে জিতলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থী, টানা ৫৮ বছর ধরে জয়ের ধারা অব্যাহত

শেষ আপডেট: 12 July 2023 09:38

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: শুরুটা হয়েছিল আজ থেকে ৫৮ বছর আগে, ১৯৬৫ সালে। তারও আগে বাবার হাত ধরে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন গোপাল নন্দী। কংগ্রেসি ঘরানার রাজনীতিতে সেই তখনই হাতেখড়ি। তারপর সংসদীয় গণতন্ত্রের আঙিনায় প্রবেশ। ১৯৬৫ সালে প্রথমবার নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। সেই জয়ের ধারা আজও অব্যাহত। কংগ্রেসের পর তৃণমূল, কখনও নির্দল, তারপর ফের ঘাসফুল। যে পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন, জয়ী হয়েছেন। এখন তাঁর বয়স ৮৮ বছর। খদ্দরের পাঞ্জাবি আর উঁচু করে পরা ধুতি, এই পোশাকেই সকলে চেনে তাঁকে। অশীতিপর বৃদ্ধ এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও জিতলেন হইহই করে, তৃণমূলের আসনে (Goapl Nandy wins at 88)।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে (WB panchayat election) তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন গোপাল নন্দী (West Mindnapore TMC candidate)। এবারেও যে জিতবেন, সে বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলেন এই প্রবীণ তৃণমূল প্রার্থী। তাই পোস্টার-ব্যানার বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিশেষ প্রচারও করেননি। মঙ্গলবার নির্বাচনের ফল বের হতে দেখা গেল, ২৫১ ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। এর ফলে টানা ৫৮ বছর ধরে তাঁর জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ থাকল।

১৯৬৫ সাল থেকে কখনও গ্রাম পঞ্চায়েতে, কখনও বা পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রার্থী হয়েছেন গোপাল নন্দী। এক সময় বিধানচন্দ্র রায়, অজয় মুখোপাধ্যায়দের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন তিনি। কখনও কংগ্রেস, কখনও নির্দল, কখনও বা তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এবং একটিবারের জন্যও হারেননি। এতগুলি জয়ের কোনওটিই কিন্তু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নয়। রাজনীতিতে আসার পর শুরুর দিকে কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়ালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল দল তৈরি করার পরেই ঘাসফুলে যোগ দেন গোপালবাবু। ভরা বাম জমানাতেও তৃণমূলের টিকিটে জিতেছেন তিনি। তার একমাত্র কারণ হল তাঁর সততা। বাম হোক বা তৃণমূল, শাসক দল যখন দুর্নীতির অভিযোগের তিরে বিদ্ধ হয়েই চলেছে, সেই সময়েও পঞ্চায়েত স্তরে গোপাল নন্দীর নাম কালিমালিপ্ত হয়নি। তাঁর পরিচয় ছিল একজন আপাদমস্তক সৎ নেতা হিসেবে। সেই ম্যাজিকেই পরপর জয় হাসিল করেছেন তিনি।

বেশ কয়েক বছর তিনি পঞ্চায়েত প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত সমিতিতে জেতার পর বন ও ভূমি কর্মাধক্ষ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরে একটানা জেতার পর এখন ভোটে জেতাটা তাঁর কাছে শুধুই একটা অভ্যাস। জয়ের ব্যাপারে এতটাই আত্মবিশ্বাসী তিনি যে প্রচারও করেন না।

দিন কয়েক আগে নবজোয়ার কর্মসূচিতে পশ্চিম মেদিনীপুরে এসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন দলের একনিষ্ঠ সৈনিক এই অশীতিপর নেতার সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন তিনি।

ব্যালট নিয়ে পালানোর সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে পাকড়াও বর্ধমানের তৃণমূল প্রার্থী


```