দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাগাতার উত্ত্যক্ত করছিল প্রতিবেশী যুবক। অভিযোগ, বিয়ের প্রস্তাবে না করে দেওয়ায় ওই ছাত্রীর পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদেরও বারে বারে হেনস্থা করে অভিযুক্ত যুবকের পরিবার। শেষ পর্যন্ত এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে রবিবার সকালে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি থানার রায়পুরের ওই কলেজ ছাত্রী। যদিও পরিজনদের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত বিপদ এড়ানো গিয়েছে। প্রাণে বেঁচেছেন ওই ছাত্রী।
ছাত্রীর অভিযোগ, বিয়ে করার জন্য অস্বাভাবিক চাপ দিত ছেলেটি। হুমকি দিত আত্মহত্যা করার। বলত, ছাত্রীর জন্য তার জীবন নষ্ট হচ্ছে নাকি। তাঁর কথায়, "কোনও দিন আমার বাবার কোনও অপমান হয়নি। ওরা এমন ভাবে অপমান করল। ওখানে আমি বিয়ে করতেই চাইনি।"
এই ঘটনায় বাপন বণিক নামে এক প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে ছাত্রীর পরিবার।
ছাত্রীর বাবা রঞ্জিত বণিক বলেন, "বাপন বছর খানেক আগে ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমার মেয়ে না করে দেয়। এর পরেও উত্ত্যক্ত করতেই থাকে, তার পরে ওর মা বাপনদের বাড়িতে বারণ করতে যায়। ওঁকেও অপমান করে। কাল আমি যাই ওদের সাবধান করতে, ওরা উল্টে আমায় গালাগালি করে। আজ সকালেও তাই হয়। আমি গুরুত্ব না দিয়ে কাজে চলে যাই। তার পরে শুনলাম মেয়ে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। আমি মেয়েকে বুঝিয়েছি, ও এখন পড়াশোনা করুক। তার পরে যা হয় হবে। কিন্তু বাপন ওর পড়াশোনা ঘুচিয়ে ছেড়েছে।"
রবিবার সকালের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কুলপিতে। ওই কলেজছাত্রী গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করলেও পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কুলপি ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসকদের তৎপরতাতেই প্রাণ বাঁচানো গিয়েছে ওই ছাত্রীর।