
শেষ আপডেট: 10 May 2023 11:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: ফুরফুরা শরিফ থেকে ধর্মতলা লং মার্চ (Furfura to Dharmatala Long March) শুরু হয়েছিল মঙ্গলবার সকালে। রাতে মিছিল এসে পৌঁছয় হাওড়ার ডোমজুড়ে। বুধবার সকালে ধর্মতলার দিকে হাঁটার পথে হাওড়া ব্রিজের উপরেই এক আন্দোলনকারী অসুস্থ (Agitator getting ill) হয়ে লুটিয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গরমেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে মনে করা হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর।
টেট পাস নন ইনক্লুডেড প্রার্থীরা প্রাথমিকে নিয়োগের দাবিতে মঙ্গলবার থেকে লং মার্চ শুরু করেন। হুগলির ফুরফুরা শরিফ থেকে মিছিল শুরু হয়। রাতে ডোমজুরে থেকে সকাল হতেই কলকাতার শহিদ মিনার লক্ষ্য করে হাঁটা শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। অরুণিমা পাল নামে আন্দোলনকারী জানান, গতকালও গরমে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। রাতে থাকার কোনও ব্যবস্থা ছিল না। পরিত্যক্ত জায়গায় রাত কাটানোর পর সকাল হতেই আবার হাঁটা শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তীব্র গরম উপেক্ষা করে হাঁটার সময়েই একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই আন্দোলনকারী বলেন, “লড়াই কঠিন হলেও তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।”
লং মার্চে যোগ দেওয়া চাকরি প্রার্থীদের দাবি, ২০২০ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ২০ হাজার টেট উত্তীর্ণকে ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। বারো হাজার নিয়োগ হলেও বাকিদের বিষয়ে এখনও কোনও উচ্চবাচ্য নেই। তাই নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে নন ইনক্লুটেড টেট পাশ ঐক্য মঞ্চ।
মঙ্গলবার লং মার্চের আগে ফুরফুরায় ত্বহা সিদ্দিকীর বাড়িতে যান চাকরিপ্রার্থীরা। ত্বহা সিদ্দিকী তাঁদের পরামর্শ দেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁদের দাবি জানাতে। ভাঙরের বিধায়ক ফুরফুরার পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকীও চাকরি প্রার্থীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেন। জানান, হকের চাকরির জন্য লড়াই। তিনি সবসময় আন্দোলনকারীদের পাশে আছেন।
রোগীমৃত্যুতে হাওড়ায় নার্সিংহোমে ভাঙচুর! চিকিৎসকের শাস্তি চেয়ে রাস্তা অবরোধ