
শেষ আপডেট: 8 January 2020 05:30
মালগাড়িটি বেরিয়ে না গেলে হাতির পাল দু’টি দলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই গ্রামবাসীরা এই পরামর্শ দেন। গাড়িটি বেরিয়ে যাওয়ার পরে দীর্ঘক্ষণ ওই শাবকটিকে ঘিরে লাইনের উপরে দাঁডিয়ে ছিল হাতির পাল। হাতির পাল ওই জায়গা ঘিরে থাকায় বন দফতরের কর্মীরা প্রথমে ঘটনাস্থলে যেতে পারছিলেন না। পরে তাঁরা গিয়ে হাতিটিকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে সেটি মারা গেছে।
পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ওই শাখায় সাময়িক ভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয় দক্ষিণ-পূর্ব রেল। ঘটনার তিন ঘণ্টা পরে রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ওই শাখায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আজ বুধবার হাতিটির ময়নাতদন্ত করবে বন দফতর। তারপরে কোনও একটি ফাঁকা জায়গায় সেটিকে কবর দেওয়া হবে বলে তারা জানিয়েছে।
হাতি চলাচলের পথ বা এলিফ্যান্ট করিডোর দিয়ে রেল পাতা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলেই। এরাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে হাতি রয়েছে। এই সব জায়গায় অনেক সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু হয়। এই সব জায়গায় চালকরা অপেক্ষাকৃত ধীর গতিতে ট্রেন চালান, তাও দুর্ঘটনা এড়ানো অনেক সময়ই সম্ভব হয় না। হাতি চলাফেরা করে মূলত রাতের দিকে। দিনের বেলায় তাদের গতিবিধি দেখা যায় না বললেই চলে। তা ছাড়া হাতি ধীর গতিতে চলে বলে তারা ট্রেনের শব্দ পেলেও দ্রুত সরে যেতে পারে না।