Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

বাবার বয়স ৭০ আর মায়ের ৫৪, কোলে এল যমজ ছেলে-মেয়ে! আনন্দে ভাসছেন সন্তান হারানো দম্পতি

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: দুর্ঘটনায় সন্তানকে হারিয়েছিলেন। তারপর থেকেই মানসিক যন্ত্রণা একরকম পঙ্গু করে দিয়েছিল তাঁদের। বেঁচে থাকার স্বার্থে বয়স ভুলে আবার সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সত্তরের বৃদ্ধর ৫৪ বছরের স্ত্রী (Elderly Cou

বাবার বয়স ৭০ আর মায়ের ৫৪, কোলে এল যমজ ছেলে-মেয়ে! আনন্দে ভাসছেন সন্তান হারানো দম্পতি

শেষ আপডেট: 2 December 2022 10:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: দুর্ঘটনায় সন্তানকে হারিয়েছিলেন। তারপর থেকেই মানসিক যন্ত্রণা একরকম পঙ্গু করে দিয়েছিল তাঁদের। বেঁচে থাকার স্বার্থে বয়স ভুলে আবার সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সত্তরের বৃদ্ধর ৫৪ বছরের স্ত্রী (Elderly Couple Become Parents) যমজ সন্তানের (Twins) জন্ম দিলেন । অকাল বসন্তে খুশির হাওয়া পরিবারে।

২০১৯ সালের জুলাই মাসের ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল সত্তর বছরের তপন দত্ত ও রূপা দত্তের একমাত্র ছেলে অনিন্দ্য দত্তর। তারপরেই শোকে দিশেহারা হয়ে পড়েন দত্ত দম্পতি। একাকীত্ব আর মানসিক যন্ত্রণায় অসহ্য হয়ে ওঠে জীবন। দুজনেই একমত হন, এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য একটা সন্তানের প্রয়োজন আছে তাদের।

পরেশের মেয়ে অঙ্কিতাকে সরিয়ে চাকরিতে ববিতা, মেখলিগঞ্জে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছে না কেউ

কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় বয়স। সঙ্গে শারীরিক একাধিক অসুবিধা। সে সময় হাওড়ার বালি এলাকায় এক ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এই দম্পতি। তাঁর পরামর্শেই শুরু হয় চিকিৎসা। গর্ভধারণ করার পরেও একাধিক শারীরিক অসুবিধার সম্মুখীন হয় রূপা দত্ত। সন্তান যে পৃথিবীর আলো দেখবে এমনটা ভাবেননি কেউ। যে ডাক্তার তাদের চিকিৎসা করতেন একটা সময় তাঁরাও হাল ছাড়তে থাকেন।

পরবর্তীতে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের সঙ্গে আলোচনা করে সেখানেই চিকিৎসা শুরু হয় রূপাদেবীর। অক্টোবর মাসের ১০ তারিখ এখানেই যমজ শিশুর জন্ম দেন তিনি। একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে মা-বাবা হলেন তাঁরা। ডাক্তাররা জানিয়েছেন মা ও দুই শিশু, সবাই সুস্থ আছে। বুধবার, ৩০ তারিখ সদ্যোজাতদের নিয়ে অশোকনগরের বাড়িতে আসে বাবা ও মা।

পরিবারের সবাই ফুল ছিটিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে বরণ করে নেয়। সদ্যোজাত দুই ফুটফুটে সন্তানকে নিয়ে এখন নিজেদের পৃথিবীটা নতুন করে সাজানোর স্বপ্ন দেখছেন তপন আর রূপা। ধীরে ধীরে বড় করে তুলবেন দুই খুদেকে। কিছুটা হলেও তাদের পুত্রশোকের যন্ত্রণা থেকে হয়তো মুক্তি মিলবে।


```