শেষ আপডেট: 24 December 2019 12:35
গ্রামে ঢুকতে পারে না কোনও চার চাকার গাড়ি। আপত্কালীন অবস্থায় তাই অসুস্থ ও প্রসূতিদের দোলা করে নদী পার করিয়ে জঙ্গল, পাথুরে মাঠ পেরিয়ে তিন কিলোমিটার নিয়ে যেতে হয়। তবেই গাড়ির রাস্তা পাওয়া যায়। সেখান থেকে গাড়িতে করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। স্কুলপড়ুয়াদেরও হাঁটা ছাড়া অন্য উপায় নেই।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গ্রামপঞ্চায়েত, বিডিও অফিস, জেলা পরিষদ থেকে জেলাশাসক দফতর – সর্বত্র বারবার লিখিত আবেদন করেও কোনও লাভ হয়নি।
[caption id="attachment_171340" align="aligncenter" width="562"]
রাস্তার সংজ্ঞা এটাই, কোথাও আবার তা বেশ সংকীর্ণ।[/caption]
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধ্যক্ষ হলধর মাহাতো বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না, তবে বীরচালি থেকে সেনাবনা হাটের মোড় অবধি রাস্তাটি শীঘ্রই পরিদর্শনে যাব। রাস্তাটি এতদিন কেন হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে। অবশ্যই এই সমস্যার সমাধান করা হবে।”
জেলা পরিষদ থেকে জানানো হয়েছে, যে তিন কিলোমিটার রাস্তার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে কৃষিজমির অবস্থা কী, রাস্তা তৈরির ব্যাপারে কোথাও জমি সংক্রান্ত কোনও বিরোধ আছে কিনা, সেসব খতিয়ে দেখা হবে। তারপরে দেখা হবে কেন ওখানে রাস্তা করা সম্ভব হয়নি। সব কিছু যদি ঠিক থাকে তা হলে ওখানে রাস্তা তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে।
তবে এলাকার লোকজন বলছেন, তাঁদের কষ্টের কথা যদি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এখনও পর্যন্ত জেনে না থাকেন, সেটাও তাঁদের দুর্ভাগ্যই।