
শেষ আপডেট: 22 September 2022 14:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ঢাকে কাঠি পড়তে বাকি আর দিন কয়েক। সপ্তাহ খানেক পেরোলেই শিয়ালদহ বা হাওড়া স্টেশনের বাইরে বসবে ঢাকিদের সমারহ। দূর দূরান্ত থেকে ঢাকিরা এসে জড়ো হন এখানে। পুজোর (Durga Pujo 2022) উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চলে দরাদরি। দাম ঠিক হলে বায়না করে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। আধুনিকতার গতিতে এখনও হারিয়ে যায়নি এই ঢাকের আওয়াজ। দুর্গা পুজো মানে ঢাক বাজবে না তা কি হয়। হুগলির দেবানন্দপুরের মানুষপুর-ইডেন পার্কের মানুষরাও তাই এই কয়দিনের অপেক্ষায় দিন গোনে সারা বছর (Hooghly Dhaki)।
এই এলাকায় বেশ কয়েক ঘর ঢাকির বাস। বংশ পরম্পরায় ঢাক-ঢোল বাজানোই তাঁদের পেশা। সারা বছর ছোটখাটো বায়না হলেও বছরভর দুর্গা পুজোর দিকেই তাকিয়ে থাকেন তাঁরা। কলকাতা তো বটেই, ডাক আসে ভিন রাজ্য থেকেও। সেখানেই কিছু আয় হয়।
করোনার কারণে গত দু'বছরে পুজোর আনন্দ ফিকে হয়ে গিয়েছিল তাঁদের। কেউ রিক্সা-কেউ টোটো চালিয়ে রুজিরুটি চালিয়েছেন। তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। দেড় মাস আগেই বিভিন্ন বারোয়ারি বায়না দিয়ে গেছে। অন্যান্যবারের তুলনায় এবারে ঢাকের দরও একটু বেশি। বাজার দর বেড়েছে, তাই দর বাড়িয়েছেন ঢাকিরাও। পুজোর চারদিন ঢাক বাজানোর জন্য একজন ঢাকি সাধারণত বারো থেকে তেরো হাজার টাকা পান। এবার সেটাই পনেরো-ষোলো হাজার। এরপর বকশিস তো আছেই।
দেবী পক্ষ শুরু হলেই একে একে ঘর ছাড়বেন তাঁরা। মা দুর্গার টানে পৌঁছতে হবে মণ্ডপে। পুজো মিটিয়ে যখন বাড়ি ফেরেন তখনই তাঁদের উৎসব শুরু হয়। তাই পুজোর দিনগুলোতে পরিবারকে সময় দিতে না পারলেও কোনও আক্ষেপ নেই ঢাকিদের মনে।
মহম্মদ আলি পার্কে শিসমহল, উদ্যোক্তাদের দাবি, চোখে ঝিলমিল লেগে যাবে!