দ্য ওয়াল ব্যুরো : নেশা করা নিয়ে পারিবারিক অশান্তি। তার জেরে শনিবার স্ত্রী ও ন’মাসের শিশুপুত্রকে গলা টিপে খুন করল এক ব্যক্তি। খুনের পরে বাড়িতেই বসেছিল অভিযুক্ত। স্থানীয় জনতা তাকে মারধর দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। শিলিগুড়ির ঠাকুরনগর এলাকার ঘটনা।
তিন বছর আগে পিন্টু বসাকের সঙ্গে বিয়ে হয় লক্ষ্মী দেবীর। পিন্টু পেশায় ছিল দিনমজুর। নিয়মিত নেশা করত। নেশা করার টাকা চেয়ে স্ত্রীকে মারধর করত সে। তাদের পরিবারে ঝামেলা লেগেই থাকত।
বিয়ের পর ওই দম্পতির যমজ কন্যাসন্তান হয়। ন’মাস আগে আরও এক ছেলের জন্ম দেন লক্ষ্মীদেবী। কয়েক মাস আগে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। তাঁর দুই শিশুকন্যা মামার বাড়িতে থাকত।
শনিবার সকালে হঠাৎ লক্ষ্মীদেবীর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। ঘরে ঢুকে দেখেন মেঝেতে পড়ে আছে লক্ষ্মীদেবীর দেহ। শিশুটির দেহ পড়ে আছে মেঝেয়। ঘরের এককোণায় বসে আছে পিন্টু। উত্তেজিত জনতা তাকে টেনে বাইরে এনে মারধর শুরু করে। পরে এনজেপি থানার পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। দেহদু’টি ময়না তদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মৃতার মা পূর্ণিমা রায় বলেন, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়েকে মারধর করত। সেজন্য মেয়ে ভাড়া বাড়িতে চলে যায়। জামাই নেশা করত। সেও মেয়েকে মারধর করত। একবার পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্যও মেয়ের ওপরে অত্যাচার হত।