Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

হোটেল রুম থেকে যক্ষ্মা রোগ বিশেষজ্ঞের দেহ উদ্ধার, আসানসোলে শোরগোল

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: হোটেল রুম থেকে উদ্ধার যক্ষ্মা রোগ বিশেষজ্ঞের (Doctors Deadbody Found) দেহ। মৃতের নাম রমা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্টেট টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইউনিটের কনসালটেন্টের কাজ করতেন। ৬১ বছরের রমা দেবী লেকটাউন থানা এলাক

হোটেল রুম থেকে যক্ষ্মা রোগ বিশেষজ্ঞের দেহ উদ্ধার, আসানসোলে শোরগোল

শেষ আপডেট: 20 July 2023 15:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: হোটেল রুম থেকে উদ্ধার যক্ষ্মা রোগ বিশেষজ্ঞের (Doctors Deadbody Found) দেহ। মৃতের নাম রমা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্টেট টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইউনিটের কনসালটেন্টের কাজ করতেন। ৬১ বছরের রমা দেবী লেকটাউন থানা এলাকার বাসিন্দা। সেখানে একটি আবাসনে থাকতেন।পুলিশ সূত্রে খবর, রমাদেবী বুধবারই আসানসোলে (Asansol) গিয়েছিলেন।

(Doctors Deadbody Found) তিনি জিটি রোডের ধারে একটি হোটেলে ওঠেন। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কাজেই সেখানে গিয়েছিলেন। এরপর রমাদেবী ইসিএল ও ইস্কো হাসপাতালে সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন।

ওই দিন সন্ধেয় তিনি হোটেলে ফিরে যান। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর চিত্তরঞ্জনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল দশটা নাগাদ তাঁকে ঘরের মধ্যে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন হোটেলকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে আসানসোল জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। এরপর চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনা নিয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ইউনুস খান জানান, রমাদেবী সিটিডি অর্থাৎ সেন্ট্রাল টিবি ডিভিশনের স্টেট টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইউনিটের কনসালট্যান্ট বা উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করতেন। তিনি সোসাইটি ফর প্রমোশন ইউথ এন্ড মাসেসের কো অর্ডিনেটর হিসাবেও কাজ করতেন। রমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ ছিল, মূলত রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে যক্ষ্মার চিকিৎসার পরিকাঠামো পর্যবেক্ষণ করা। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে এই সংক্রান্ত বিষয়ে সমন্বয় সাধন করে, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া।

স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরেই আসানসোল জেলা হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন রমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী নীলাদ্রি শংকর গঙ্গোপাধ্যায়। তিনিও একজন চিকিৎসক। নীলাদ্রিবাবু বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে বুধবার রাত আটটা নাগাদ ফোনে কথা হয়েছিল। তখন রমাদেবী তাঁকে বলেছিলেন, মুম্বাই ও ঠাণে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় এই নির্দেশ নিয়ে একটু বিচলিত ছিলেন রমাদেবী। কিন্তু কী করে এমনটা হয়ে গেল তিনিও বুঝতে পারছেন না।

এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত নেমেছেন আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। তারা মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ভিসেরার নমুনাও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শেল্টার হোমে নেই জল, খাবারও নিম্নমানের, অভিযোগ পেতেই নড়েচড়ে বসল পুরসভা


```