
শেষ আপডেট: 17 February 2023 05:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইকো পার্কে মর্নিং ওয়াক সেরে ত্রিপুরার ভোটের (Tripura Election) ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাইলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ভোটের কয়েক মাস আগে থেকেই রীতিমতো দফায় দফায় ত্রিপুরায় গিয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার নিরিখেই শুক্রবার দিলীপ দাবি করলেন, ত্রিপুরায় বিজেপির সঙ্গে কারও টক্কর নেই।
তাঁর বক্তব্য, "আমি প্রচারে গিয়ে দেখেছি, মার্কেটে বিজেপি ছাড়া কেউ ছিল না। অনেকে বলছেন টক্কর হবে। কিন্তু আমার কখনওই তা মনে হয়নি।" অনেকের মতে, দিলীপ বোঝাতে চেয়েছেন সিপিএম-কংগ্রেস যতই জোট করুক। যতই জনজাতি ভোটে তিপ্রা মথা থাবা বসানোর চেষ্টা করুক, বিজেপিকে আটকানো যাবে না।
মেদিনীপুরের সাংসদ আরও বলেন, "সিপিএমের আড়াই দশকের শাসনে ত্রিপুরায় হিংসা ছাড়া আর কিছু ছিল না। যেখানে একবার নরেন্দ্র মোদীর শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেখানকার মানুষ আর পিছনে ফিরে তাকাননি।"
বৃহস্পতিবার বিকেল চারটের পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ত্রিপুরায় ভোট পড়েছে ৮১.১০ শতাংশ। কিন্তু তখনও পার্বত্য ত্রিপুরার বহু জায়গায় ভোটারদের লম্বা লাইন ছিল। বাক্সপ্যাঁটরা গোটানোর পরে যখন সব হিসেব করা হল, তখন দেখা গেল ভোট পড়েছে প্রায় ৮৮ শতাংশ। সব দলই স্বীকার করেছে, সার্বিকভাবে ত্রিপুরায় মানুষ তাঁর নিজের ভোট নিজে দিয়েছেন।
এখন কৌতূহল, এই বিপুল ভোট কীসের ইঙ্গিত? অনেকে বলছেন প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার প্রতিফলন ঘটার সম্ভাবনা আছে। আবার কেউ কেউ একুশের বাংলার ভোট এবং সম্প্রতি হওয়া গুজরাতের ভোট প্রসঙ্গ টেনে বলছেন, সবসময় বেশি ভোট মানেই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা নয়। আদৌ কী হয়েছে তা বোঝা যাবে ২ মার্চ। কিন্তু দিলীপ ঘোষ আগাম বলে দিলেন, গেরুয়া শিবিরই গদিতে ফিরছে।
ঝলসে যাওয়া গাড়িতে দুই মুসলিম যুবকের পোড়া কঙ্কাল উদ্ধার হরিয়ানায়, গরু চোর সন্দেহে খুন!