
শেষ আপডেট: 28 May 2023 15:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: সুপারি বিক্রি করেন কার্তিক রায়। যা উপার্জন হয়, তা দিয়েই সংসার ও চার সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালান। এবছর উচ্চমাধ্যমিক (HS Student) দিয়েছে তাঁর ছেলে মানু রায়। পরীক্ষায় সে ৪৬৬ পেয়ে ভাল ফল করেছে। কিন্তু অর্থাভাবে হয়ত থমকে যেতে পারে মানুর পড়াশোনা।
ধূপগুড়ি (Dhupguri) ব্লকের ডাউকিমারি বাসিন্দা কার্তিকবাবুর ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিতায় পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘হাটে হাটে পান, সুপারি বিক্রি করে সংসারের খরচ জোগাড় করি। দুই মেয়ে এখন কলেজে পড়ে। ছোটো ছেলেও স্কুলে পড়ছে। মানু এবছর ডিএন হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক দিয়েছিল। ফার্স্ট ডিভিশনে পাশ করেছে। অথচ সামান্য এই উপার্জনে আর চার ছেলেমেয়ের পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এখন সাহায্য না পেলে মেধাবী ছেলের পড়াশোনা করার মাঝপথেই থমকে যাবে।’

প্রতিবেশীরা জানান, এলাকায় মানু মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্র হিসাবে পরিচিত। তার দিদি কণিকা ও আরতি ধূপগুড়ি কলেজে পড়ে। ছোট ভাই সানু পরের বছর উচ্চমাধ্যমিক দেবে। তাই এলাকার এই অভাবী ছাত্রের পড়াশোনা যাতে থমকে না যায়, তাই তাঁরাও সাহায্যে আবেদন করেছেন। মা বিজবালা রায়ও তাই চান।
উত্তর থেকে দক্ষিণ, সন্ধে হতেই জেলায় জেলায় ঝেঁপে নামল বৃষ্টি! তবে স্বস্তি বেশিক্ষণের নয়