
শেষ আপডেট: 22 December 2020 18:30
এককোষী হলেও এদের প্রভাব মারাত্মক। মানুষের স্নায়ুকোষকে নিমেষে জখম করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোনও ভাবে জলের মাধ্যমে এই প্রাণীকে গিলে ফেললে ততটা ক্ষতি হয়না। তবে কোনও ভাবে নাক দিয়ে যদি শরীরে ঢুকে পড়ে তাহলেই সোজা মস্তিষ্কের কোষে গিয়ে আঘাত করে। এই অ্যামিবার সংক্রমণে যে রোগ হয় তাকে বলে নাইগ্লেরিয়াসিস বা প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনগোএনসেফেলাইটিস (PAM)। জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশির খিঁচুনি দিয়ে উপসর্গ শুরু হয়। দ্রুত অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ড্রাগ না দিলে মস্তিষ্কের কোষ ছিঁড়েখুঁড়ে দেয় এই প্রাণিরা।
১৯৬০ সালে অস্ট্রেলিয়ার একটি হ্রদের জলে প্রথম এই মগজ-খেকো অ্যামিবাদের সন্ধান মিলেছিল। মার্কিন মুলুকে এই অ্যামিবায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক। উত্তর ক্যারোলিনার স্বাস্থ্য দফতরের সমীক্ষা বলছে, ১৯৬২ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই এককোষী প্রাণীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৪৫ জন। যার মধ্যে চার জনের অবস্থা ছিল ভয়ঙ্কর। গত কয়েক মাসে মিনেসোটা, কানসাস ও ইন্ডিয়ানা থেকে অ্যামিবা সংক্রমণের খবর এসেছে। ২০১০ সালেও পাঁচ থেকে ছ’জন অ্যামিবার গ্রাসে পড়েছিলেন এই রাজ্যগুলি থেকেই। মার্কিন সিডিসি বলছে, সুইমিং পুলে বা যে কোনও লেক বা নদীর জলে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। ছোট বাচ্চা ও প্রবীণদের বেশি সাবধান থাকতে বলা হয়েছে।