
শেষ আপডেট: 6 December 2020 16:37
প্রথমে চন্দ্রকোনা রোড পার্টি অফিসে যান সুশান্ত। সেখানে খাওয়াদাওয়া করে পাশের মাঠে সমাবেশে বক্তৃতা করেন। বেনাচাপড়া কঙ্কাল কাণ্ডে তাঁকে ২০১২ সালে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। এদিন সমাবেশে সুশান্ত বলেন, জেরার নামে তাঁর উপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থা। হাতল বিহীন চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছিল টানা ৩০ ঘণ্টা।
জঙ্গলমহলে একটা সময় সুশান্ত ঘোষের দাপট ছিল অবিসংবাদিত। অনেকে বলতেন, সুশান্ত ঘোষ, দীপক সরকারদের নামে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খায়। সিপিএম কার্যালয় জামশেদ আলি ভবনই নাকি হয়ে উঠেছিল থানা, বিডিও অফিস। ২০০০ সালে কেশপুর, গড়বেতা, বাঁকুড়া, গোঘাট, চমকাইতলা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি উত্তাল তখন সিপিএমের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন সুশান্ত।
কিন্তু কয়েক বছর আগে একটি ওয়েবসাইটে ডায়েরি লিখে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য-সহ একাধিক নেতার তীব্র সমালোচনা করেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
গত লোকসভায় দেখা গিয়েছে, জঙ্গলমহলে সহ রাজ্যের সর্বত্র বামেদের ভোট উজাড় হয়ে বিজেপিতে চলে গিয়েছে। এদিন সেই প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন সুশান্ত। বলেন, "তৃণমূল একটা ভয়ঙ্কর শক্তি। কিন্তু বিজেপি শত গুণ ভয়ঙ্কর। আমি শুনতে পাই অনেকে বলেন তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে বিজেপিকে আনতে হবে। আমি আবেদন করব, এই কাজ করবেন না।"
যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "জেলার মানুষ লাল সন্ত্রাসের বিভীষিকা থেকে মুক্তি পেয়েছে। জেলায় এসেছেন থাকুন, কিন্তু আবার যদি মনে করেন সন্ত্রাস করবেন তাহলে মানুষ বুঝে নেবে।"