
শেষ আপডেট: 22 June 2023 04:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বুথে প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। এবার দেখা গেল পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায় সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষের বুথেও প্রার্থী পেল না সিপিএম।
সুশান্ত একদা সিপিএমের দাপুটে নেতা তথা মন্ত্রী। এখন তাঁর কাঁধেই জেলা সম্পাদকের দায়িত্ব। কিন্তু বেনাচাপড়া-বীরসিংহ গ্রামে চারটি গ্রামসভার আসনের মধ্যে দু’টিতে প্রার্থী দিতে পারেনি সিপিএম। সুশান্ত নিজে যে বুথে ভোট দেন, সেই ১৮৬ নম্বর বুথেও প্রার্থী দিতে পারেনি লালঝান্ডা। ওই আসনে তৃণমূলের টিকিটে হাসতে হাসতে জিতে গিয়েছেন তৃণমূলের ময়না সাহা।
তবে নিজের বুথে প্রার্থী দিতে না পারাকে সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসাবে মানতে চাননি সুশান্ত। তিনি বলেন, ‘ওই আসনটি তফসিলি সংরক্ষিত। আমাদের লোক আছে। কিন্তু জাতিগত শংসাপত্র নেই। তাই প্রার্থী দেওয়া যায়নি।’ তবে পঞ্চায়েতের বাকি দু’টি স্তর সমিতি ও জেল পরিষদে প্রার্থী রয়েছে সিপিএমের। গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন সুশান্ত ঘোষের জ্যেঠতুতো ভাইয়ের স্ত্রী।
পরিসংখ্যান বলছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ২০১৮-র তুলনায় প্রায় চারগুণ বেশি আসনে প্রার্থী দিয়েছে সিপিএম। বেশ কিছু জায়গায় লড়াই দেওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী জেলা সিপিএমের নেতৃত্ব। কিন্তু স্বয়ং জেলা সম্পাদকের বুথে প্রার্থী না থাকা কাঁটার মতোই বিঁধছে অনেকের।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, পঞ্চায়েতের প্রস্তুতি অনেকদিন ধরেই চলছিল। কাকে কোথায় প্রার্থী করা হবে, তাঁর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে কিনা—এসব আগে থেকে দেখে নিয়ে প্রস্তুতি রাখাই দলগুলির সাংগঠনিক কাজ। কিন্তু বহু জায়গাতেই দেখা গিয়েছে, বিরোধীরা সেই কাজটা করতে পারেনি। ফলে প্রার্থীও দিতে পারেনি। রাজনৈতিক মহলের অনেকের বক্তব্য, বুথস্তরে এসব ব্যাপারে তৃণমূল অনেক এগিয়ে বাকি বিরোধীদের থেকে।
কিছু কিছু জায়গায় তৃণমূলের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে এরকম ঘটনা ঘটেছে। যেমন পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় গ্রাম পঞ্চায়েতের গোটা ছয়েক আসন সিপিএম জিতে গিয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। তবে এই দুর্বলতা বিরোধীদের ক্ষেত্রেই বেশি বলে মত অনেকের।
চোপড়ায় গুলিবিদ্ধ সিপিএম কর্মীর মৃত্যু, মনোনয়নের সময় আহত হয়েছিলেন তিনি, চলছিল যমে-মানুষে লড়াই