দ্য ওয়াল ব্যুরো: এগারার বিয়েবাড়ি থেকে হলদিয়া বন্দরের ঠিকা শ্রমিকের করোনা পজিটিভ হওয়ার ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। কিন্তু স্বাধীনতা আন্দোলনের পূণ্যভূমি করোনা যুদ্ধেও অগ্রণী ভূমিকা নিল।
জেলাওয়াড়ি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পূর্ব মেদিনীপুরেই ছিল সর্বাধিক। কিন্তু মারণ ভাইরাসকে পরাজিত করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যাতেও ভাল জায়গায় এই জেলা। এগারার যে বিয়ে বাড়ি থেকে সংক্রামিতদের মধ্যে তিনজন বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। করোনামুক্ত হয়ে হয়ে বাড়ি ফিরেছেন হলদিয়ার দু'জন ও তমলুকের তিনজন রোগী। আরও আশার কথা, যাঁরা এখনও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন তাঁরাও সুস্থ হওয়ার পথে।
সংক্রমণ ছাড়ানোর পরই তৎপরতা বাড়ায় জেলা প্রশাসন। শুরু হয় এলাকা ধরে স্যানিটাইজ করার কাজ। প্রশাসনের সঙ্গে করোনা মোকাবিলায় সারা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় স্বেচ্ছা সেবকের কাজ করছেন কয়েক হাজার তৃণমূলকর্মী। মানুষকে গৃহবন্দি রাখতে একাধিক পদক্ষেপ করে জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের ভিডিও কনফারেন্সেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশংসা করেছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক কাজে। প্রচারের আলো দূরে সরিয়ে রেখে সেই কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজ্যের পরিবহণ ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সংক্রমণ ছড়ালেও তাকে নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছে পূর্ব মেদিনীপুর। সমান্তরাল ভাবে চলেছে মানুষকে সচেতন করা ও স্যানিটাইজেশনের কাজ। লকডাউন পালন করা হচ্ছে কঠোর ভাবে। আর যার ফল মিলছে হাতেনাতে। নতুন করে সংক্রমণ ছাড়ানোর কোনও ঘটনা ঘটেনি গত কয়েকদিনে। বরং সেরে উঠে বাড়ি ফিরছেন আক্রান্তরা। যা করোনা বিরুদ্ধে মানুষের লড়াইয়ে দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।