Breaking : কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনার নির্দেশ, তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন ভারতীয় দূতেরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো : আন্তর্জাতিক আদালতে জয় হল ভারতের। হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের আর্জি ছিল দু’টি। প্রথমত পাকিস্তানের আটক ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রাক্তন কর্মী কুলভূষণ যাদবের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ রদ করা হোক। দ্বিতীয়ত জেলে তাঁর সঙ্গে ভারত
শেষ আপডেট: 17 July 2019 13:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো : আন্তর্জাতিক আদালতে জয় হল ভারতের। হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের আর্জি ছিল দু’টি। প্রথমত পাকিস্তানের আটক ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রাক্তন কর্মী কুলভূষণ যাদবের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ রদ করা হোক। দ্বিতীয়ত জেলে তাঁর সঙ্গে ভারতীয় কনস্যুলেটের কর্মীদের দেখা করতে দেওয়া হোক। আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারপতি একবাক্যে ভারতের দ্বিতীয় দাবিটি মেনে নিয়েছেন। অর্থাৎ এখন থেকে ভারতীয় কনস্যুলেটের কর্মীরা বন্দি কুলভূষণের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ রদ না হলেও তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানকে বলা হয়েছে, আপনারা কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ গুরুত্বের সঙ্গে পুনর্বিবেচনা করুন। যতদিন না ফের বিবেচনা করা হচ্ছে, ততদিন কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড যেন কার্যকর না হয়। এদিন কোর্টে ১৫-১ ভোটে জয় হয় ভারতের।
৪৯ বছরের কুলভূষণ যাদব ২০১৬ সালের মার্চে পাকিস্তানে গ্রেফতার হন। গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের দায়ে পরের বছর তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার একমাস পরে ভারত আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হয়। কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড তখনকার মতো বন্ধ থাকে।
পাকিস্তানের দাবি, কুলভূষণ ইরান দিয়ে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশে ঢুকেছিলেন। ২০১৬ সালের ৩ মার্চ তিনি ধরা পড়েন। ভারতের পালটা দাবি, নৌবাহিনীর চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরে কুলভূষণ ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক কারণেই তিনি ইরানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে আসে।
ভারত অভিযোগ করে, পাকিস্তান কুলভূষণের সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের কাউকে দেখা করতে দেয়নি। এতে ভিয়েনা কনভেনশনে গৃহীত নীতি অমান্য করা হয়েছে। পাকিস্তানের বক্তব্য, কুলভূষণের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক কোর্ট প্রকাশ্যে চারদিন ধরে ওই মামলার শুনানি করে। ভারত অভিযোগ করে, কুলভূষণকে পাকিস্তানের খেলার ঘুঁটি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তারা যে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, সেদিক থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য কুলভূষণকে নিয়ে হইচই করা হচ্ছে।
ভারতের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর কুলভূষণের মা ও স্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তখন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ নানাভাবে তাঁদের হেনস্থা করেছে।