
শেষ আপডেট: 13 March 2023 13:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: কুড়ি-পঁচিশ হাজার টাকা পেলে খুন করা ছিল বাঁ হাতের কাজ। এগারো খুনের আসামি সেই সুপারি কিলার (Supari Killer) ধনুয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা (Life imprisonment) শোনাল চুঁচুড়া আদালত। খুনের পর উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদের একটি হোটেলে গা ঢাকা দিয়েছিল ধনুয়া। সেখান থেকে তাকে ধরে আনে মগরা থানার পুলিশ। এগারো বছর পর অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিল চুঁচুড়া আদালত।
হুগলি জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী কালীপ্রসাদ সিংহ জানান, ২০১১ সালের ২৯শে জুন রাত আটটা নাগাদ বাঁশবেড়িয়া কলবাজার থেকে বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন শিবপুর ইসলামপাড়া বাইলেনের বাসিন্দা কেতাবুদ্দিন। তখন কুখ্যাত সমাজবিরোধী ধানুয়া ওরফে মহম্মদ মোক্তার দলবল নিয়ে চড়াও হয় কেতাবুদ্দিনের উপর। পাইপগান থেকে কেতাবউদ্দিনের কানের পাশে গুলি চালায় ধানুয়া। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় কেতাবুদ্দিনের। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বেরিয়ে আসেন। তাঁরা তাড়া করলে ধানুয়া এবং তার সঙ্গীরা গুলি চালাতে চালাতে পালিয়ে যায়।
আইনজীবী জানিয়েছেন, ঘটনার পরেই ধানুয়া এ রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে যায়। তদন্তে নেমে মগরা থানার পুলিশ উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদের এক হোটেল থেকে ধনুয়াকে গ্রেফতার করে। এই মামলায় মোট আঠারো জন সাক্ষ্য দেয়। এগারোটি খুনের মামলায় অভিযুক্ত সে। সাক্ষীদের ভয় দেখিয়ে মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে যেত এতদিন। সুপারি নিয়ে খুন করা ছিল তার পেশা। কেতাবুদ্দিনের দাদাকেও খুন করেছিল ধানুয়া।
জেলে রেখেই বিচারপর্ব শেষ হয় ধানুয়ার। গত ৬ই মার্চ হুগলির প্রথম অতিরিক্ত জেলা জজ সঞ্জয়কুমার শর্মা অভিযুক্তকে ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। এদিন তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। কেতাবুদ্দিনের স্ত্রীকে দু’লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
ত্রিপল ছাওয়া ঘরে বিড়ি বেঁধে সংসার চালান বসিরহাটের তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান সুপর্ণা