
শেষ আপডেট: 1 July 2023 09:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: স্ত্রী ও শাশুড়িকে লাঠি দিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠল পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। বসিরহাটের মিনাখাঁ থানার চৈতল গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্তের নাম মৃন্ময় নস্কর। তিনি রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদে রয়েছেন। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাটের মিনাখাঁ থানার চৈতল গ্রামের বাসিন্দা শম্পা মণ্ডলের বিয়ে হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় থানার চণ্ডীপুর অঞ্চলের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল মৃন্ময় নস্করের সঙ্গে। বছরখানেক তাঁদের দাম্পত্য জীবনে সব ঠিক চলছিল।
শম্পাদেবীর অভিযোগ, তারপর থেকেই তাঁর উপর নির্যাতন শুরু করে স্বামী মৃন্ময় নস্কর। তাঁকে প্রায়ই মারধর করতেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে করে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এমনকী তাঁকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টাও করেন তিনি। সপ্তাহখানেক আগে মৃন্ময় শম্পাদেবীকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ। তাই শম্পা বাপের বাড়িতে চলে আসেন।
পরে দুটি মোটরবাইক করে মৃন্ময় সহ চারজন হঠাৎই হাজির হন শম্পার বাপের বাড়িতে। তাঁরা বাড়িতে ঢুকে শম্পাকে মারধর করতে শুরু করে বলে অভিযোগ। শম্পাদেবীর মা, মেয়েকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও ব্যাপক মারধর করা হয়। তাঁদের চেঁচামেচি শুনে মা ও মেয়েকে বাঁচাতে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। অভিযুক্তদের বাড়িতে আটকে রেখে মিনাখাঁ থানায় খবর দেন। পরে দুই আহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, লাঠির আঘাতে শম্পাদেবীর মাথা ফেটে গেছে। ভেঙে গিয়েছে তাঁর মায়ের হাত।
ইতিমধ্যেই সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত পুলিশ কনস্টেবলকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছিল। জানা গিয়েছে তিনি কাকদ্বীপ থানায় কর্মরত।
বদ্ধ ঘরে জ্বলন্ত উনুন, আসানসোলে ঘুমের মধ্যেই শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু মহিলার, অসুস্থ আরও ৫