Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

‘অমিত শাহকে খাওয়াতে হবে আমায়’, নেতির তরজায় না গিয়ে উন্নয়নের তর্কে মমতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চোদ্দ সালে লোকসভা ভোটের পর পরই দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সে কথা মনে পড়ে! একদিকে নরেন্দ্র মোদী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নৈরাজ্যবাদী, উশৃঙ্খল বলে সমালোচনা করছেন। বিপরীতে কেজরিওয়াল ধীর, স্থির। জনসভায় দাঁড়িয়ে শুধু বলে যাচ

‘অমিত শাহকে খাওয়াতে হবে আমায়’, নেতির তরজায় না গিয়ে উন্নয়নের তর্কে মমতা

শেষ আপডেট: 22 December 2020 14:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চোদ্দ সালে লোকসভা ভোটের পর পরই দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সে কথা মনে পড়ে! একদিকে নরেন্দ্র মোদী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নৈরাজ্যবাদী, উশৃঙ্খল বলে সমালোচনা করছেন। বিপরীতে কেজরিওয়াল ধীর, স্থির। জনসভায় দাঁড়িয়ে শুধু বলে যাচ্ছেন, "সরকারে এলে বিদ্যুৎ মাশুল কমিয়ে দেব, জল কর কমিয়ে দেব, বেআইনি বস্তি স্বীকৃত করে দেব..."-- ইত্যাদি ইত্যাদি। ভোটের পর দেখা গিয়েছিল ৭০টি আসনের মধ্যে আপ জিতেছে ৬৭টি, বিজেপি জিতেছে তিনটি আসনে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠক দেখে অনেকেই মনে করছেন, লাইন পাল্টে ফেলেছেন দিদি। বিজেপি যখন তাঁর সরকার ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে নেতি নেতি করছে, সেই তরজায় পা দিতে চাইছেন না তিনি। অমিত শাহর উদ্দেশে কোনও রুক্ষ কটু কথাও এদিন বলেননি মমতা। বরং পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন, উন্নয়নের তর্ক হোক। তাঁর কথায়, ‘আজকের বাংলা ঝকঝক তকতক করছে। তাই বুঝি ঈর্ষান্বিত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ সব কথা বলছেন।’ তার পর বেশ কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, দারিদ্র দূরীকরণে বাংলা এখন এক নম্বরে। একশো দিনের কাজ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন, গ্রামীণ আবাস, গ্রাম-সড়কের মতো যোজনাতেও ১ নম্বরে। সেই সঙ্গে রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নতির পরিসংখ্যান সামনে ফেলে বলেছেন, "সব তথ্য দিয়ে দিলাম, এজন্য অমিত শাহকে খাওয়াতে হবে আমায়। ধোকলা খাওয়াতে হবে।" নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বসে মুখ্যমন্ত্রী যে বিরোধীদের রাজনৈতিক আক্রমণ করেন না, তা বলা যাবে না। গতকালই বলেছেন, "বিজেপি হল চিটিংবাজ পার্টি।" কিন্তু সেই তুলনায় মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের অ্যাপিয়ারেন্সের ফারাক অনেকের মতে সাদা-কালোয় পরিষ্কার। তবে অনেকের কাছে কৌতূহলের বিষয় হল, এই ব্যাখ্যা কি সঠিক? কারণ তাঁদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেজাজটাই আসল রাজা। তিনি ভাল তো খুব ভাল। কিন্তু রেগে গেলে জনসভায় বক্তৃতার মধ্যে তুইতোকারিও করে ফেলেন। তাতে আসল কথা প্রচার না পেয়ে ওই কথাগুলোই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ায়। সুতরাং উন্নয়নের তর্কে টিকে থাকতে হলে সংযমও জরুরি হবে। তৃণমূলের একাংশ নেতার মতে, সরকার যে ধরনের প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে বা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বিতরণের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, নেতির তরজায় পা দিলে সেগুলো আর চোখেই পড়বে না। সুতরাং বিজেপির নেতিবাচক আক্রমণের জবাব যদি দিতেই হয় তা সৌগত রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষরা করুন। কিন্তু দিদি থাকুন উন্নয়নের তর্কে। গত দশ বছর ধরে সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তার সংখ্যা তো কম নয়। একুশের ভোটে তাঁদের বড় অংশকে পাশে পেলেই ম্যাজিক সংখ্যা পেরিয়ে যাওয়া ফ্যাক্টর হবে না।

```