
শেষ আপডেট: 29 May 2023 11:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: গড় শালবনীতে হামলার ঘটনার সিবিআই তদন্ত (CBI Investigation) চাইলেন ধৃত কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত (Kurmi Leader Rajesh Mahato) । কোর্ট থেকে বেরিয়ে রাজেশ জোর গলায় বলেন, ‘শুধু সিআইডি নয়, সিবিআই তদন্ত হোক।’
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজেশ বলেন, ‘আন্দোলনকে দমন করতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সাংবিধানিক অধিকারকে দমন করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনও হিংসাকে আমরা সমর্থন করি না। আমাদের সমাজের আন্দোলন ৭৩ বছর ধরে চলছে। আমরা এই অধিকারের লড়াই শান্তিপূর্ণভাবে করে আসছি। কিন্তু আজকে আমাদের আন্দোলনকে শুধু দমন করার জন্য নয়, একটা জাতিকে শেষ করার জন্য চক্রান্ত শুরু হয়েছে। তাই সিআইডি কেন, সিবিআই তদন্ত হোক।’

একদিনের জেল হেফাজত কাটিয়ে সোমবার ঝাড়গ্রাম অ্যাডিশনল ডিস্ট্রিকট এণ্ড সেশন জর্জ কোর্টে তোলা হয়েছিল কুড়মি আন্দোলনের নেতা রাজেশ মাহাত সহ তাঁর সাত সঙ্গীকে। সঙ্গে নিশিকান্ত মাহাত নামে আরও এক কুড়মি নেতাকে এদিন আদালতে তোলা হয়েছিল। রবিবার রাতে নিশিকান্তবাবুকে গ্রেফতার করা হয়। এখনও পর্যন্ত মোট ৯ কুড়মি নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার তদন্তভার এখন সিআইডির হাতে। এদিন ধৃত কুড়মি নেতাদের আদালতে তোলা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের সিআইডি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। কিন্তু সেশন জজ জিমূতবাহন বিশ্বাস উভয়পক্ষের আইনজীবীর কথা শোনার পর সিআইডি হেফাজতের আবেদন নাকচ করে ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিন আদালতের বাইরে কুড়মি আন্দোলনকারীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। নেতাদের কোর্ট থেকে বাইরে আসতে দেখেই সেই জমায়েত থেকে স্লোগান ওঠে। রাজেশ মাহাতর স্ত্রী দীপা মাহাত ও আরও এক কুড়মি নেতা কুমারেশ মাহাত কোর্ট চত্বরে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাও ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন।
অভিষেকের কনভয়ে হামলার ঘটনার তদন্তে সিআইডি! ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে চান গোয়েন্দারা